হাসান সাহেব সরকারি চাকরি করেন।
তার একমাত্র ছেলে রানা তার বয়স
আট বছর সে অন্য দশটা ছেলের মত নয়।
সে অনেক বেশি দুষ্ট।
যেখানে যায়না কেনো সে একটা না একটা কিছু
করে বসেন। যার জন্য অনেকবার হাসান
সাহেবকে মানুষের সামনে অপমান
হতে হয়েছিল। এরপর ও হাসান সাহেব
যেখানেই
যাকনা কেনো ছেলেকে নিয়ে যান।
এইভাবে ছেলে বড় হতে থাকে কিন্তুু
ছোটবেলার সবাভ রয়ে যাই। খেলার
মাঠ থেকে শুরু
করে যেখানে যাকনা কেনো একটা না একটা কিছু
করে বসবে আর সবাই হাসান সাহেবের
কাছে ছেলের নামে নালিশ
নিয়ে আসত আর বাবা তো বাবা সব
কিছু চোখ বুঝে সয্য করে নিতেন।
ছেলেকে কিছু বলতেন না।
এইভাবে রানা লেখা পড়া শেষ
করে নিজে প্রতিস্টিথ হয়। আর
এইদিকে তার বাবার সব ভালোবাসার
কথা সে ভুলে যাই। একদিন
বাবা তাকে বলেছিলেন সবাই
মিলে আমরা বেড়াতে যাই আর
ছেলে বাবা তোমাদের
নিয়ে যদি আমি গুরুতে যাই
তাহলে সবাই আমককে কি বলবে সবাই
আমকে পাগল বলবে। হাসান সাহেবের
দুই চোখে অস্রু থামাতে পারলেন
না আর তিনি কেধে কেধে বল্লেন
তোর জন্য কত মানুষ আমরাই অপমান
করছে কত লোকের কাছে আমি ছোট
হয়েছি এরপরও কোনদিন তোকে কিছু
বলিনি সব সময়
তোকে সাথে নিয়ে যেতাম আর আজ
তুই এই কথা বলতে পারলি? হাসান
সাহেব এই কথা বলে আr কিছু
বলতে পারলেন না তিনি জ্ঞান
হারিয়ে ফেলেন।
পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়
আর তিনি ওখানে মারা যান।
আসলে সন্তানদের
নিয়ে মা বাবা অনেক সপ্ন দেখেন আর
সন্তান যখন বড় হয় তখন আর মা বাবার
কথা মনে থাকেনা।
প্লীজ কেউ বাবা মা কে কস্ট দিওনা।
মন্তব্য (4)