মরীচিকা ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২
বিষুবরেখার উপর দিয়ে হেঁটে চলেছি,
আমার ডানদিকে সুমেরু, বামদিকে কুমেরু।
বিষুবরেখা থেকে কোনো মেরু দেখা যায় না,
কারণ ধরণী অখণ্ড মণ্ডলাকার।
ও বললো— সুমেরু বামদিকে, কুমেরু ডানদিকে!
কঙ্গো নদীর পার দিয়ে চলতে চলতে দেখলাম,
একদল শিম্পাঞ্জি একে অপরের পরিচর্যা করছে,
অন্য পাশে একপাল সিংহী,
ঊর্ধ্বপদ হয়ে বাওবাব গাছের নিচে নিদ্রামগ্ন!
ও বললো— ওগুলো সিংহী নয়, বাঘ!
উত্তরকাশী থেকে গঙ্গোত্রীতে পা ডুবিয়ে চলেছি,কেদারনাথের দিকে,
উত্তর থেকে বরফগলা জল নেমে যাচ্ছে, দক্ষিণে সাগরের দিকে।
ও বললো— এখন জোয়ার, জল এখন ঊর্ধ্বগামী!
বিশবছর একসাথে চলেছি দুই রেলের ন্যায় সমদূরত্ব রেখে,
রেললাইনের মতোই দিগন্তরেখায় মিলনের আশায়—
যতই এগিয়েছি সরে সরে গেছে পথ,
যেন শুধুই মরীচিকা…