ফরিদপুর শহরে দুপুরের আগে পেীঁছাতে পারবো কিনা এটা নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে ।দিপা দুপুর একটায় আমার জন্য অপেক্ষা করবে ।আমাকে একটার মধ্যেই দিপার কাছে পেীঁছাতে হবে ।এসব ভাবতে ভাবতেই ফরিদপুর পেীঁছালাম ।তখন ঘড়ির কাটায় একটা ।দিপার দেওয়া ঠিকানা আর মোবাইল ফোনের কল্যানে সহজেই দিপার কাছে পেীছে যাই ।দূর থেকেই দেখতে পাচ্ছি দিপা নীল শাড়ি পরে বসে আছে।আমি পিছন দিক থেকে দিপার চোঁখ বন্ধ করে ধরলাম ।
: ছাড় ।আমি জানিতো তুমি এসেছো ।
: তুমি কি করে জানলে যে আমি ।অন্য কেউ ও তো হতে পারতো ।
: তোমার ছোঁয়া আমার সারা জীবনের স্মৃতি এটা আমি কি করে ভুলে যাব ।আর অন্য কারো কথা আমি কখনো চিন্তাই করি না ।
আচ্ছা এসব কথা বাদ দাও ।তুমি অনেক সময় একা একা বসে আছ ।এখন চলো দু’জনে হাত ধরা ধরি করে রিক্সায় ঘুরবো ।আমরা একটা রিক্সা নিলাম ।বাসটার্মিনাল থেকে জসিম উদ্দিন এর বাড়িতে যাব ।রিক্সায় উঠেই বুঝতে পারলাম দিপা কোন কথা না বলে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে ।দিপাকে প্রশ্ন করতেই বললো সামনে ওর চাচা ।কিছু বুঝতে না বুঝতেই দিপার চাচা দিপার হাত ধরে নিয়ে গেল ।কষ্টে বুক ভেঙে যাচ্ছে অথচ ওর চাচা কে বলতে পারছি না আমি দিপাকে ভালোবাসি,ও কিছু সময় আমার সাথে থাকুক না ।তোমার চলে যাওয়া পথের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আমার আর কিছু করার ছিলনা ।
সেই ঘটনার পর অনেকগুলো বছর কেটে গেছে আমার জীবনে ।আমিও অনেক স্মৃতি ভুলে গেছি সেসব দিনের ।
আজ হঠাৎ অফিস থেকে ফেরার পথে দিপার চাচার সাথে দেখা ।আমাকে দেখেই বললো-
: তুমি ইমন না ।তুমিই তো দিপাকে ভালোবাসতে ।
আমি তাকে কিছু বলতে পারলাম না ।কষ্টে আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছে ।আমি কিছু না বলেই একটু একটু সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আর পিছনে পড়ে যাচ্ছে দিপার চাচা আর আমার ভালোবাসার কিছু অজানা ভালো লাগার স্মৃতি ।
মন্তব্য (6)