চার বছর পরে আবার দেখা তারুণ্য । তারুন্য ছিল ভুলেই গিয়েছিলাম । হঠাৎ কেন যেন চোখ গেল বাংলা কবিতা ডট কম এর এক কোনাই সেখানে তারুন্য চোখে পরার সাথে সাথেই চলে আসলাম এখানে । এতদিন পর এসে দেখে বেশ ভালই লাগছে । কত নতুন মানুষ, কত নতুন লেখা, কত সুন্দর সুন্দর বাক্য, মনকে পুলকিত করে, আনন্দিত করে, উৎসাহিত করে ।

চার বছর --অনেব বছর বহু বিপদ আপদ, ব্যথা বেদনা, জয় পরাজয় মাথায় নিয়ে বিচরন করতে করতে জীবন নামক দিনকালের সমারোহ । কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি, কখনো রোদ এর মধ্য দিয়েই দিনরাত্রীর সমাহার চলছে --চলবে ।
মাঝে মাঝে দারুন অসহায় হয়ে পরি, কখনো মনে হয় এই বৃঝি সব শেষ আর সুন্দর করে বাঁচার পথ রুদ্ধ, কোন উপায় নেই কিন্তু মনের ভিতরে, অন্তরে আবার কিসের যেন অনুভুতি জাগ্রত হয়, কেউ যেন চুপি চুপি বলে । তোমার কিছু হয়নি, সুন্দর দিন দোখার জন্য অপেক্ষা করছে--আর কিছুদূর গেলেই সেই সুন্দর দিনের দেখা মিলবে--উঠো , হাট, ঐতো দেখা যাচ্ছে সুন্দর দিন হাত বাড়িয়ে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে ।

করোনা, কোভিড, অদৃশ্য শক্তিতে দিশেহারা পৃথিবীর সকল মানুষ, এখনো চলছে তার সাথে যুদ্ধ, এর মধ্যেই কোথাও কোথাও আবার সেই স্বাভাবিক সুন্দর দিনের গতি যেন নতুন করে পথ চলা শুরু হয়েছে । সবখানেই, পৃথিবীর সকল মানুষ যেন এ করোনা অভিশাপকে জয় করতে পারে তার জন্য মনেপ্রাণে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি ।

আজকাল আমার দিনকাল একদম ভাল যাচ্ছেনা । অপমান অপদস্থ হেনস্থা করার জন্য চারদিক থেকে যেন শক্রুরা ঘিরে রেখেছে--পালানোর পথ যেন না পাই । কিন্তু আমি বেশ শক্তভাবেই দাড়িয়ে আছি। আমি পালাতে চাইনা, আমি তাদের মোকাবেলা করে আমার স্থান ঠিক রাখতে চাই, আমি একজন আশাবাদী মানুষ । সমালোচনা, মিথ্যাচার, অপমান অপদস্ত করে আমাকে মাটিতে বসাতে পারাটা একটি কঠিন ও জটিল কারন আমি যেখানে দাড়িয়ে আছি সেখানে কেউ আমার মত করে দাড়াতে পারেনা এবং এটি আমারই স্থান, আমারই প্রাপ্য, আমারি অধিকার যা আমি স্রস্টার কাছ থেকে পেয়েছি বলে বিশ্বাস করি ।

স্রস্টার ভালবাসার পরীক্ষা হয়তো এভাবেই দিতে হচ্ছে--আমার জন্য দোয়া চাই সবার কাছে--আমি যেন সুন্দর দিন যেখানে আছে সেখানে পৌছতে পারি যথা সময়ে --সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে ।