-ও যে এতো নীচু মন মানসিকতার তা আমি ভাবতেও পারছি না। আগে ভাবতাম খুব সুন্দরী মেয়েদের চরিত্রগত সমস্যা থাকে। অথচ ও এতোটা সুন্দরী না।
-এটা ভুল ধারণা। ভালো হলে বেশি আর কম সুন্দরী কোন ব্যাপার না।
-আমার আগেই সরে আশার উচিৎ ছিলো
-এখন তো আসতেছ
-কিন্তু ওর জন্য আমার জীবনটা অনেক পিছিয়ে গেছে। আমি পড়ালেখায় অনেক পিছিয়ে গেছি। আমার সব কিছু উল্টাপাল্টা হয়ে গেছে।
-এখন তো আর আফসোস করে কি লাভ। এখন সামনের দিকে এগোও
-আচ্ছা আমার চোখের পানি গুলোর মূল্য কে দিবে? আমার সারাদিন মন খারাপ থাকার কোন মূল্যই কি নেই?
-ওর কাছে নেই
-আসলেই নেই। ওকে ভেবেছিলাম একটু হয়তো আমাকে অনুভব করে, কিন্তু ও আমাকে একটুও অনুভব করে না।
-ওর সহানুভূতি দেখে তোমার এরকম মনে হতো।
-খুব স্বার্থপর ও। নিজের সুখ ছাড়া কিছুই বুঝে না।
-এতদিনে বুঝলে!
-কি করবো? একটা অন্ধ বিশ্বাস ছিল ওর উপর। ও যা বলে তাই সত্য মন হতো
-মেয়েরা নিজের স্বার্থের জন্য অনেক মিথ্যা বলে।
-হুম। তুমিও কি মিথ্যা বলো।
-আমি হয় সত্য কথা বলব না হয় বলব না কিছু
-ও বুঝলাম
-কি বুঝলে?
-অনেক কিছু
লাইনটা কেটে গেল। প্লাবন আর ব্যাক করল না। পুতুলও করল না। প্লাবন খুব দোটানার মাঝে আছে। কি করবে ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। খুব একাকী অনুভব করছে। নিসা যে রকমই হোক প্লাবন যেন নিসাকে কোন ভাবেই ভুলতে পারছে না। কোন ভাবেই যেন নিসাকে এড়িয়ে চলতে পারছে না। আসলে খুব ভালোবাসে বলেই নিসাকে ও আজ ঘৃণা করতে পারছে না। নিজেকেই যেন ঘৃণা করে যাচ্ছে।
মন্তব্য (3)