প্রগতিশীল বা প্রগতিকামী জাতি সত্তার পরিচয়ে সদা মিথ্যে প্রতিযোগীতায় মেতে উঠেছি আমরা।
কাক হয়েও কোকিল পরিচয় প্রতিষ্ঠার মিথ্যাচারের
সর্বোচ্চ সীমাটাও অতিক্রান্ত হয়েছে অনেক আগে।

কী আশ্চর্য আমাদের চিন্তাধারা !!
শক্তিশালী গোষ্ঠীর মতাদর্শ যেন
সকল ভুল আর বিতর্কের উর্দ্ধে।
আজ ব্যাক্তি,পরিবার বা সমাজের সর্বস্তরে
বিরাজ করছে আমিত্ব জ্ঞান গরিমা প্রকাশের স্বর্নযুগ।

আস্তিকতা, নাস্তিকতা, নারীবাদী, পুরুষবাদী,
মৌলবাদী,উগ্রবাদী, বাম আর ডানের ব্যবহার হচ্ছে যেখানে সেখানে স্বার্থপরতা আর নিজেকে মেলে ধরার অপচেষ্টার জন্য।

আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে
ওয়াজ মাহফিলের নামে কুফনবাজি, চাঁদাবাজি আর
সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কথা আমার ধর্মে কোথাও নেই,আমিও নামাজ পড়ি মনে প্রানে বিশ্বাস করি
অনুসরন করি সাধ্যমত ইসলামী অনুশাসন।

ফতোয়াবাজ আর ধান্ধাবাজরা প্রশ্ন তুলবে
আমার আস্তিকতা নিয়ে???

আমি যদি নারীকে নারী হিসেবে না দেখে
মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করি তবে
নারীবাদী তকমা পাওয়াটা সময়ের ব্যাপার,

নারীর উগ্রমনোভাব আর উচ্ছৃঙ্খল চালচলনে
প্রশ্ন করলে হয়ে যাব নারীবিদ্বেষী বা মৌলবাদী ।
মৌলিক অধিকার আর সুস্হভাবে বেঁচে থাকার প্রতিবাদও
আজ উগ্রবাদের সামিল।

কলম,মলম যেন আজ একই কাজে ব্যবহার হচ্ছে,
হলুদ সাংবাদিকথার স্বীকার তো আমরাই
যারা বারংবার মলম পার্টির কবলে পড়ে হারাচ্ছি সর্বস্ব।

প্রগতির পেট্রোল বোমায় পুড়ছি তো আমরা
দগ্ধ হও পুড়ে মর শব্দ করা যাবে না ।।

বাম আর ডানের লড়াই, নারী টানে খুলে নারীর সম্ভম,
মানুষ আর মনুষত্যে তৈরির কারখানা যেন থমকে আছে
প্রগতির অবরোধে।

অত্যাচার মিথ্যাচারের উর্বর চাষের এমন সুযোগ
কে চায় হারাতে!