দুঃখেরা ঘোড়ার পিঠে চড়ে স্পর্শ করে
বস্তির অপুষ্টি জননীর কপাল,
চাঁদের আলোর কবরে জেগে থাকে তার
পক্ষীর মতন অসুখী চোখ।

দুখের আঁধার চিরে সুখের আলো খুঁজে তার বেদুঈন মন।

খোলা প্রান্তরে বিধ্বস্ত অবয়বে কাঁদে আমার
দুঃখবতী নারী
জননীর বুকে রক্ত অথচ আমি নির্বাক,
পাথুরে সভ্যতার উদরে ক্ষয় হয়ে গেছে আমার
চিরাচরিত মানবিক মূল্যবোধ।

তেলহীন নিভু আলোয় খতিয়ান করি ইহ – জিন্দগির।

সেই অন্তহীন সত্তা আকাশে আদিম নক্ষত্রের
মতো জ্বলে উঠবার সাহস আজো পায় নি,
সে সাহস পাবে না, কোনো দিন না।
তার জননীর বুক রক্তাক্ত করেছে হায়েনার কালো থাবা।

ভাঙা প্রাচীরে মুখ লুকিয়ে কাঁদে তার নিরীহ জননী
তবুও সে নির্বাক, আমি অবাক।
তার মুখের কালো অক্ষরের কলিজায়
শত আঘাতের চিহ্ন।
আমি নিশ্চুপ ,সেও চুপ।