রোজার প্রায় অর্ধেক,জোহর নামাজে পর ফ্রিজ থেকে মাছ বের করতে গিয়ে রাবেয়া দেখলো, ডিপের সমস্ত বরফ গলে গিয়াছে। সে তার স্বামী সন্তানদের ডাকলেন এবং বললেন "মনে হয় ফ্রিজে সমস্যা হয়েছে। নরমালের খাবার গুলো নষ্ট হইয়া গিয়াছে।চিন্তার কথা! এ যুগে ফ্রিজ ছাড়া কি চলা যায়? এ দিকে করোনার কারনে ঘরে বন্ধী সকলে। ফ্রিজের দোকানও বন্ধ। মহা বিপদ! ফ্রিজের টেকনিশিয়ান কোথায় পাওয়া যাবে? স্বামী বেচারার চিন্তায় কপালে ভাজ পড়ে গেল,মনে মনে ভাবে এই দূর্দিনে ২৫/৩০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।আয় রোজগার নেই বাসায় বসা,"মরার উপর খারার ঘা"। উপায়ান্তর না দেখে স্বামী বেচারা ফ্রিজের পিছনের কভার খুলে কম্প্রেসর টা হাত দিয়ে দেখলেন, গরম না ঠাণ্ডা। সমস্যা কিছু পাচ্ছে না। ছেলেদের বললেন ফ্রিজের লাইন টা পরিবর্তন করে দেখা যাক।লাইনও পরিবর্তন করলো, কোন লাভ হলো না যে লাউ সেই কদু।ফ্রিজের দরজা খুলে দেখলো বাতি জ্বলে কিনা? বাতি ঠিকই জ্বলে। তা হলে গ্যাস বের হয়ে গেল কিনা? স্বামী তার বিদ্যা বুদ্ধি দিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগলো। ফ্রিজের ভিতরে নব ঘুরাতে গিয়েই ফ্রিজ টি চালু হয়ে গেল! সবার মুখে অকৃত্রিম হাঁসি! সাধারণ জ্ঞান ও প্রাথমিক চিকিৎসা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে, তা না হলে বোকামীর দন্ড দিতেই হতো।