ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলালে দেখা যায়, স্রষ্টার প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাসের দোহাই দিয়ে একশ্রেণীর মানুষ বরাবরই নিজেদের পরম সত্যের একমাত্র দাবিদার মনে করে এসেছে। সংঘাত ও উগ্রতার এই প্রবণতা কেবল আধুনিককালের আবিষ্কার নয়; বরং যুগ যুগ ধরে ধর্মের প্রকৃত বার্তা ও নৈতিকতাকে কলঙ্কিত করে আসছে এই গোষ্ঠী। এরা নিজেদের বিশ্বাসের ধারক-বাহক ও রক্ষক বলে দাবি করলেও, বাস্তবে এদের কর্মকাণ্ড মূল ধর্মের শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবতাবোধকে ধ্বংস করেছে। আব্রাহামিক(ইব্রাহিম আঃ) ধর্মসমূহের সূচনা থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই তথাকথিত ধার্মিক জনতার উন্মাদনা ধর্মকে বিকশিত করার বদলে বারবার পিছিয়ে দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে ডেকে এনেছে চরম বিপর্যয়।
এই ধর্মীয় উন্মাদনার শিকড় অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, আব্রাহামিক(ইব্রাহীম আঃ) ধর্মসমূহের বিকাশের প্রতিটি ধাপেই এদের আস্ফালন বিদ্যমান ছিল। প্রাচীন ইহুদি সমাজে ফরীশী ও সাদ্দুকীদের মতো উগ্র গোঁড়া গোষ্ঠীগুলো ধর্মগ্রন্থের মূল মর্মবাণী ছেড়ে বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান ও অন্ধ ধর্মান্ধতাকে প্রাধান্য দিয়েছিল। তারা কেবল নিজেদের পথকে সঠিক মনে করত এবং সেই উন্মাদনার বশে হযরত ইয়াহইয়া (আঃ) ও হযরত জাকারিয়া (আঃ)-এর মতো নবীগণকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্মের বিকাশের সময়েও একই উন্মাদনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। মধ্যযুগীয় ইউরোপে ক্যাথলিক চার্চের একশ্রেণীর উগ্র ধর্মান্ধরা 'ইনকুইজিশন' বা ধর্মীয় আদালত বসিয়ে গ্যালিলিওর মতো বিজ্ঞানীদের নিপীড়ন করে এবং জোন অব আর্কের মতো ব্যক্তিত্বকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারে। এমনকি জেরুজালেম দখলের নামে ক্রুসেডের সময় এই উগ্র জনতা হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়েছিল। মূলত স্রষ্টার প্রেরিত ধর্মসমূহের মূল বাণী থেকে মানুষ যখন দূরে সরে গিয়ে কেবল আবেগ ও চরমপন্থাকে সম্বল করেছিল, তখনই সেই ধর্মগুলোর বিকৃতি ঘটেছিল।
ইসলামের শুরুর দিকের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলেও এই চরমপন্থী ও নিজেদের একমাত্র খাঁটি বিশ্বাসী দাবি করা গোষ্ঠীর জঘন্য কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলে। মহানবী (সাঃ)-এর ওফাতের পর ইসলামের সোনালী যুগে যে ট্র্যাজেডিগুলো ঘটেছিল, তার পেছনে ছিল 'খারিজী' নামক এই অন্ধ ও বিভ্রান্ত জনতা। তারা নিজেদের দ্বীনের আসল রক্ষক মনে করলেও ধর্মীয় মৌলিক জ্ঞান ও সহনশীলতার অভাব ছিল তাদের মধ্যে প্রবল। এই বিভ্রান্ত চরমপন্থীদের হাতেই নির্মমভাবে শহীদ হতে হয়েছিল ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রাঃ), তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রাঃ) এবং চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রাঃ)-কে। পরবর্তীতে কারবালার প্রান্তরে মহানবী (সাঃ)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রাঃ) ও তাঁর পরিবারকে যে নির্মমতার সাথে হত্যা করা হয়েছিল, তার নেপথ্যেও ছিল এই অন্ধ ক্ষমতার মোহ ও ধর্মীয় উগ্রতা। তারা মুখে ধর্মের কথা বললেও তাদের অন্তরে দ্বীনের প্রকৃত শিক্ষা বা মহানবীর ভালোবাসার কোনো স্থান ছিল না।
ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসেও এই চরমপন্থী মানসিকতার ধ্বংসাত্মক রূপ বারবার উন্মোচিত হয়েছে। ক্ষমতার দখল ও নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এরা সবসময় ধর্মীয় অনুভূতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। সুলতানি ও মুঘল আমলে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে শুরু করে বিখ্যাত সুফি ও চিন্তাবিদদের হত্যা করার পেছনেও এই ধর্ম ব্যবসায়ী ও উগ্রপন্থীদের হাত ছিল। দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করার রাজনৈতিক চক্রান্ত থেকে শুরু করে মুঘল সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও পরম সহনশীল সুফি চিন্তাবিদ যারা দারা শিকো-যাঁকে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের ফতোয়া ব্যবহার করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল- তার পেছনেও এই মানসিকতা কাজ করেছে। এমনকি অদ্বৈতবাদী ভাবধারার সুফি সাধক ও দার্শনিকদের নাস্তিক বা ধর্মদ্রোহী আখ্যা দিয়ে হত্যা ও নির্যাতন করার অজস্র উদাহরণ এই উপমহাদেশে রয়েছে।
আধুনিক যুগে এই উগ্র মানসিকতার সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছে বাঙালি জাতি। ১৯৭১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী নিজেদের ইসলাম ও পাকিস্তানের একমাত্র রক্ষক হিসেবে দাবি করেছিল। সেই তথাকথিত ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়ে তারা কোটি কোটি বাঙালি মুসলমান, হিন্দু ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছিল। বাঙালিদের ওপর অত্যাচার, বুদ্ধিজীবী হত্যা, গণহত্যা ও সংস্কৃতি ধ্বংসের পাঁতারাকে তারা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক বলে চালানোর অপচেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করে, তাদের সেই দাবি কতটা ভণ্ডামি পূর্ণ ছিল। মূল ধর্মীয় গ্রন্থ না পড়ে, ধর্মের আসল চেতনা না বুঝে কেবল অন্ধ রাজনৈতিক স্বার্থে ইসলামকে ব্যবহার করে তারা নিজ ধর্মেরই হাজার হাজার মানুষকে হত্যা ও নিপীড়ন করেছিল।
প্রকৃতপক্ষে, এই তথাকথিত তৌহিদি বা উগ্র জনতার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তারা ধর্মগ্রন্থ নিজে গভীরভাবে পাঠ করে না এবং ধর্মের মূল শিক্ষা অনুধাবন করে না। তারা ধর্মকে ভালোবাসে না, বরং ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের হিংস্রতা, অজ্ঞতা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণ করতে। পবিত্র গ্রন্থসমূহে যেখানে শান্তি, ক্ষমা, ধৈর্য এবং অন্যের ওপর অত্যাচার না করার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেখানে এরা কেবল নিজেদের মনগড়া ব্যাখ্যা ও অন্ধ আক্রোশের বশে মানুষকে হত্যা ও নির্যাতন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। যুগে যুগে এই অজ্ঞ ও উগ্র জনতার অপকর্মের কারণেই সাধারণ মানুষ ধর্মের প্রকৃত সৌন্দর্য দেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং সমাজ বারবার রক্তপাত ও বিভাজনের মুখোমুখি হয়েছে।
বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও নিজেদের 'তৌহিদি জনতা' দাবি করা এই গোষ্ঠীর একই রূপ প্রকট হয়ে উঠেছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে এরা হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি, লোকশিল্প, গান-বাজনা ও মুক্তচিন্তার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছে, অথচ এদের আচার-আচরণে ধর্মের আসল স্তম্ভগুলোই অনুপস্থিত। স্বঘোষিত বিচারক সেজে এরা যেন জান্নাতের সার্টিফিকেট বিলি করছে, আবার রাজনৈতিক বা দলীয় স্বার্থে যাকে-তাকে 'শহীদ' আখ্যা দিচ্ছে। অথচ বাস্তবে এদের চরিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় মিথ্যাচার, গিবত, সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানো, অন্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং দুনিয়াবী লোভ-লালসার তীব্র উপস্থিতি। শুধু মুখে বড় বড় কথা বলা, লম্বা দাড়ি রাখা কিংবা টুপি-জুব্বা পরিধান করলেই কেউ প্রকৃত অর্থে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বা 'তৌহিদি জনতা' হয়ে যায় না। দাড়ি ও মাথার টুপি কেবল একটি ধর্মীয় পোশাকি অনুষঙ্গ, যা বিশ্বের অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষও নিজ নিজ নিয়মে ধারণ করে। অন্তরের সততা, চরিত্র, আমানতদারিতা এবং অন্যের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া কেবল বাহ্যিক পোশাক আর অন্ধ উন্মাদনা মানুষকে ধার্মিক বানায় না, বরং সমাজ ও ধর্মের বড় ক্ষতি ডেকে আনে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ইসলাম ও তৌহিদের মূল ভিত্তি অনুযায়ী বিচারকের চূড়ান্ত আসন কেবল একমাত্র মহান আল্লাহর। কাউকে 'জান্নাতী' বা 'জাহান্নামী' ঘোষণা করা, কাউকে স্বঘোষিতভাবে 'শহীদ' বা 'নাস্তিক' আখ্যা দেওয়া কিংবা কার ইমান কতটুকু- তার চূড়ান্ত বিচার করার একচ্ছত্র অধিকার মহান আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে দেওয়া হয়নি। পবিত্র কুরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শেষ বিচারের দিনে প্রতিটি মানুষের অন্তরের খবর ও নিয়ত একমাত্র আল্লাহই সর্বজ্ঞাত। যখন এই তথাকথিত 'তৌহিদি জনতা' নিজেকে আল্লাহর আসনে বসিয়ে মানুষের ইমান ও পরকালের ফয়সালা নিজের হাতে তুলে নেয়, তখন তারা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তাআলার একক ঐশ্বরিক ক্ষমতার ওপর হস্তক্ষেপ করে। আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও একক বিচারে মানুষের এই বাড়াবাড়ি ও হস্তক্ষেপ ইসলামি আকীদা অনুযায়ী ঘোরতর অপরাধ এবং এক ধরনের শিরকের শামিল। যে বা যারা নিজেদের তৌহিদের একমাত্র অনুসারী দাবি করে মহান আল্লাহর বিশেষ ক্ষমতাকে নিজের হাতে ছিনিয়ে নেয়, তাদের এই অহংকার ও উগ্রতাই প্রমাণ করে যে তারা চরম বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত।
বর্তমানে বাংলাদেশে তৌহিদি জনতা কারা-
তথাকথিত 'তৌহিদি জনতা'র বেশ কিছু মৌলিক চারিত্রিক রূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এরা মূলত ধর্মগ্রন্থের মূল মর্মবাণী, শান্তি ও মানবিক নৈতিকতা অনুধাবন না করে কেবল বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান, পোশাক এবং অন্ধ উন্মাদনাকে আকড়ে ধরে থাকে। এদের সবচেয়ে বড় অজ্ঞতা হলো, এরা ইসলামি আকীদাকে বিসর্জন দিয়ে নিজেদের আল্লাহর আসনে বসিয়ে নেয় এবং কাকে জান্নাত বা জাহান্নামের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে, কাকে 'শহীদ' বা 'নাস্তিক' আখ্যা দেওয়া হবে- তার স্বঘোষিত ফয়সালা দেয়; যা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর একচ্ছত্র অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং ঘোরতর শিরকের শামিল। ক্ষমতার মোহ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন বা ব্যক্তিগত হিংস্রতা চরিতার্থ করতে এরা সবসময় সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও অনুভূতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে।
এদের আচার-আচরণে বৈচিত্র্য, সহনশীলতা ও মুক্তচিন্তার প্রতি চরম বিদ্বেষ লক্ষ্য করা যায়; এরা হাজার বছরের সংস্কৃতি ও শিল্প-সাহিত্যকে বিনাশ করতেই আনন্দ পায়। অথচ পবিত্র কুরআনের সূরা আল-হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, তিনি মানুষকে বিভিন্ন জাতি, গোত্র ও সংস্কৃতিতে বিভক্ত করেছেন যাতে তারা একে অপরকে জানতে ও বুঝতে পারে- পারস্পরিক বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য নয়। আল্লাহর কাছে শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র মাপকাঠি হলো মানুষের ভেতরের 'তাকওয়া' বা সৎকর্ম ও চরিত্র; কোনো নির্দিষ্ট পোশাক, অপসংস্কৃতি চর্চা কিংবা অন্ধ ধর্মান্ধতা নয়। একইভাবে, সুরা আল-আ'রাফের ৩২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, “আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য যেসব শোভাবর্ধক জিনিস ও পবিত্র রিজিক সৃষ্টি করেছেন, তা কে হারাম করেছে? ইসলামি নীতি অনুযায়ী, যেসব শিল্প ও সংস্কৃতি মানুষের ভেতরে মানবিক অনুভূতি, ন্যায়বিচার ও স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জাগ্রত করে, তা পরম বরকতময়। মহানবী (সাঃ)-এর হাদিসেও বলা হয়েছে, আল্লাহ সুন্দর, এবং তিনি সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন।
কিন্তু বাহ্যিক পোশাকে ধর্মীয় ছাপ থাকলেও বাস্তব জীবনে এই উগ্র জনতার ভেতরে মিথ্যাচার, চক্রান্ত, সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানো এবং দুনিয়াবী লোভ-লালসাই তীব্র হয়ে ওঠে। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারা-এর ২০৫ নম্বর আয়াতে এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, একশ্রেণীর মানুষ জমিনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং শস্যক্ষেত্র ও মানবজাতিকে ধ্বংস করতে চায়; অথচ আল্লাহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের একদম পছন্দ করেন না। ধর্মান্ধতার বশে নান্দনিক শিল্পকর্ম, সাহিত্য ও সহনশীল ঐতিহ্যকে ধ্বংস করা ইসলামে কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
ইতিহাস সাক্ষী দেয়, নিজেদের দ্বীনের খাঁটি রক্ষক দাবি করলেও খারিজীদের থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের ঘাতক কিংবা আধুনিক তৌহিদি জনতা- এদের হাতেই সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত ও নির্মমভাবে শহীদ হয়েছে নিজ ধর্মেরই নির্দোষ, পরম সহনশীল ও উদারপন্থী মানুষ। প্রকৃতপক্ষে, এই তথাকথিত জনতার অন্তরে ধর্মপ্রেমের কোনো অস্তিত্ব নেই; বরং অজ্ঞতা, চরম অহংকার ও অন্ধ আক্রোশই এদের প্রধান চরিত্র, যা যুগ যুগ ধরে ধর্মের প্রকৃত সৌন্দর্যকে কলঙ্কিত করে সমাজ ও ধর্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

মন্তব্য (2)