বস্তুবাদি বিশ্বে ধর্মের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অল্পদিনের নয়। খিৃস্টান বিশ্ব হাজার হাজার মানুষদের হত্যা করে দমতে ব্যর্ত হয়েছিল কিন্তু মুসলিমরা এমন ভূল অতীতে করেনি। বরং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় শান্তির (সালামের) বারতা নিয়ে আগমণ ঘঠেছিল মুহাম্মদ দ. এর। জ্ঞান বিজ্ঞানের লালন, মুক্ত স্বাধীন ধরনী উপহার দিয়েছিল ইসলাম। কন্যা সন্তান হত্যা বন্ধ, দাস প্রতা বিলুপ, নারী অধীকার প্রতিষ্ঠা, শ্রমের মর্যাদা, কল্যান রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে সব মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে ইসলাম। বিচ্ছিন্ন কোন ঘঠনা ছাড়া সবাই ইসলামের এসব কথা অকপঠে মেনে নেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছু লোক চিনি যারা সামাজিক রাষ্ট্রীয় ধর্মীয় সুবিধাভোগীদের হাতে পর্যুদস্ত। যারা নামাজ পড়েন এবং দেশের উচ্চ শিক্ষিত। এখন তারা ব্লগ লিখেন। তারা রাষ্ট্র, সমাজ, ধর্মের বিরৃদ্ধে লিখেন। অনেক সময় কি লিখতে কি লিখেন আমি বুঝিনা। আমিও লিখি সমাজ, অসভ্যতা এমনকি ধর্মের নামে অধর্মের বিরুদ্ধে। আসলে আমাদের সমাজ এমন যে দুর্বলকে আঘাত করতেই হবে, যে কোন ভাবে । উচু নিচু, ধনী গরিব, হিন্দু মুসলিম.. বর্ণ, এমনকি নারী পুরুষ বৈশম্য খুবই প্রকট। কোন একা মানুষের পক্ষে এসব ভেঙ্গে ফেলা সম্ভব নয়। কাজী নজরুল লিখেছিলেন, " বড় ব্যাথা এই মনে, দেখিয়া, শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি বন্ধু , তাই লিখি যাহা আসে মুখে। অমর কাব্য তোমরা লিখিয় বন্দূ যাহারা আছো সুখে।"
আজ সময় এসেছে বদলাবার। সমাজ, অধর্ম, জাত বর্ণ এবং রাষ্ট্রীয় বৌসম্যের মত অবিচার বন্ধ না হলে এসব লিখা, ব্লগ বন্ধ হবেনা। যারা নিজের শরীরে আগুন দিয়ে আত্নহত্যাকে ভয় করেনা, তাদের দু' চারজনকে কেlন দল/ রাস্ট্র হত্যা করে দমানো চেষ্টা লেলিহান অগ্নি লাভার মুখে একবিন্দু জল ঢালার মত হাস্যকর। তাই সমাজ আর রাষ্ট্রকে হত্যা বন্ধকরে মূল সমস্যার সমাধান করতে হবে। এর পর যদি কেউ বিকৃত থেকে যায় তাহলে আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা অবৈধ হবে না্
মন্তব্য (6)