তুমি মাতা,
সন্তান পালিতা।
অকারন অনিমেষ চোখের বালি হই,
তোমার ক্রোধের অনলে ভষ্ম হতে হতে
প্রতিদিন একবার করে
চেতনাকে চাবুক মারতে থাকি।
নির্লজ্জ অমানুষতার পোশাকে
সাজাও প্রতিটি দাবানলের প্রহর।
শুন্যতার মাঝে হাল ভাঙা মাঝির মতো
দিশেহারা হই।
নগ্ন ভাষা গুলো অক্টোপাশের মতো
ধরে থাকে।
বেভাবনাতে ডুবে মরি,
বিরত হই অমুল্য প্রাপ্তির উপহারগুলো থেকে।
যত দোষ নন্দ ঘোষের
দলে রেখে দিব্য চলে ঘরনির প্রতাপ।
নতুন ভোর,
স্নিগ্ধ শিশির বিন্দুরা প্রতিপক্ষ।
সকালের নরম রোদ্দুরটাও
সরে যেতে বসেছে।
কিভাবে একচিলতে গোলাপ রঙা
মন পাবো,
তার সদুত্তর পাই নি।
মন্তব্য (8)