এখানে পত্র পল্লব মাঠ ভরা শ্যামল
পাখিরা গান গায় বায়ু ছন্দে অনর্গল।
এঁকে বেঁকে দোল খায় বাঁশ পাতারা
কোন এক দস্যি মেয়ে বেয়ে উঠে দিশেহারা
এই ডাল ওই ডাল আম বট ধরে;
পায় নাকো ভয় ঘূর্ণিবায়ু কিংবা ঘনঝড়ে।
বৈশাখের উষ্ণ বায়ু ছুয়ে দেয় দেহ
উড়ু উড়ু চুলগুলো; আড়ালে দেখে নাকো কেহ।
কখনো অশান্ত দেহখানি মেলে দেয় ঝোপে
কখনো বা বুনো লতার ফুল তুলে দেয় খোপে।
গ্রীষ্মের উত্তপ্ত ফাটা মাঠে হেঁটে বেড়ায়
পুড়ে নাকো পা; শুধু যেন ডিগবাজি খায়
জলশূন্য জলদে ভাসা সোনালি চিলের মত!
যেখানে দস্যি মেয়ে অনবরত
গেয়ে যায় গান, ছুঁয়ে যায় অসীম আকাশ
একরাশ ভালবাসা; শুভ্রতার আশ্বাস।
কখন জানি দিবে দেখা কবে সে মেয়ে,
বৈশাখের প্রতিটি বিকেলে গান গেয়ে গেয়ে।
মন্তব্য (19)