পুজোর সাজ
আমাদের আবার পুজোর সাজ! এই ভাবনা এক সময় ভাবতাম। এখন আর ভাবি না। কেন না যা পাই তাকে দিয়েই পুজোর সময় নিজেকে নতুন সাজানোর ভাবনা কোনো ভাবেই মাটি করে দেওয়া ঠিক না।
এত কর্মবহুল ট্রেসের মাঝে এই তো এক মুঠো কাশফুল। যা পাই তাকে ভোরের শিউলি হয়ে শীতল শিশিরের পরশের মত মেনে নিলে, মনে এমনি এমনি রামধনু রঙ আঁকা হয়ে যায়।
তাই পুজোর সাজ যেন সারা বছরের মধ্যে অন্য একটা কিছু পাওয়া হিসেবে আমার কাছে ধরা দেয়। ছোটোবেলায় এই পুজোর সময় যে জামা প্যান্ট পেতাম তাই দিয়ে সারা বছর কাটিয়ে দিতে হত।
এখন অবশ্য পুজোতে যা পাই তাছাড়াও বছরের অন্য সময় জামা প্যান্ট কেনা হয়। তাছাড়া মেয়েদের প্রতি বছর পুজোর সময় নানান ভ্যারাইটি নামে পোশাক আশাক আসে। ছেলেদের ক্ষেত্রে সব একই রকম।
তা হোক জগৎ জননী মা দুর্গা মহা ধূমধাম করে পুজোতে রঙিন নতুন বাহারী সাজ বাঙালি জীবনকে আনন্দের এক অনাবিল অত্যাশ্চর্য উচ্চতায় তুলে দেয়।
পুজোর সাজের উপর ভিত্তি করে অনেকের জীবন জীবিকা পুকুরে ঝিলে দীঘিতে ফোটা শালুক পদ্মের মতো বহমান হয়ে চলে।
টলটলে জল সাদা মেঘ ভরা আকাশের সাথে রঙিন পোশাক থিম প্যাণ্ডলে ঘোরা খাওয়া দাওয়া পুজো অর্চনা প্রতি বছর এ সব যেন দারুণ এক খুশির শান্তির অনুভূতি এনে দেয়।

মন্তব্য (1)