প্রসঙ্গ : দ্রব্যমূল্য ও ক্রয় ক্ষমতা।

দ্রব্যমূল্য বলতে আমরা কোনো পণ্যের টাকার বিনিময়ে মূল্যমানকে বুঝি। শিক্ষিত সমাজে দ্রব্যমূল্য শব্দটি পাড়াগায়ে ‍‌'' জিনিসপত্রের দাম'' শব্দ দ্বারা বুঝানো হয়। অর্থ একই।

দ্রব্যমূল্য নিয়ে আমাদের দেশের হর্তা কর্তারা ভাবছেন। ভেবে ভেবে হাফিয়ে উঠছেন। পায়ের ঘাম মাথায়, আর মাথার ঘাম পায়ে; বানরের তৈলাক্ত বাঁশ বাওয়ার সেই জটিল অঙ্কাতংকে (অংক থেকে আতংক) গোটা জাতিকে ভাবিয়ে তুলছে। যারা এসব নিয়ে কাজ করেন তারা সারাক্ষণ এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতেই সময় চলে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট হর্তা-কর্তাদের এবং আমাদের সরকারদের বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজার করতে যেতে হয় না। অনেকে তাদের পরিবারের বাজারের উৎস কোত্থেকে তা ও জানেন না। পেয়াজের আজকের খুচরা বাজার মাত্র ১১০ (একশত দশ) টাকা কেজি মাত্র। খুব বেশি নয়। কারণ ১১০ টাকা না হয়ে ২০০ টাকাও হতে পারত, ৩০০ টাকাও হতে পারত। এর উপর ভিত্তি করে অমুক গলা ফাটিয়ে বক্তিমা দিচ্ছেন আজ আমরা ক্ষমতায় থাকার কারণে আপনারা সস্তায় পেয়াজ খাচ্ছেন। তমুকরা ক্ষমতায় থাকলে আজ পেয়াজ ৩০০ টাকা কেজি থাকত।

আজ আমার এক নিকটাত্মীয়কে দেখলাম খাসী জবাই করে সম্পূণ গোস্ত সুন্দর করে কয়েকটি প্যাকেট করে কোন এক কর্তা মহোদয়ের বাসায় পাঠাইয়া দিছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন এমনই দিলাম আর কি। আর আমিও এমনি র অর্থ সহজেই বুঝে ফেল্লাম আর কি।
সাইফুল। ০৯ নভেম্বর ২০১৩