আমি বললাম বিদ্রোহী হও!
তুমি প্রেমোপাখ্যান রচিলে!
হৃদয়ের রক্তজলে প্রেমের ধারা কেনো বহিলে!

আমি বললাম যুদ্ধে যাবো!
তুমি বাসর সাজালে!
একজনমের আকাঙ্খায় এ হৃদয়টা ভরালে।

স্বজন-স্বজনী প্রেমানলে পুড়ে ;
কতো সাধনায় ভজিলে!
প্রভুর বুঝি হয়নি দয়া, তাই দিয়েছে ফেলে!

আমি চাইলাম রক্তজবা ;
তুমি গোলাপ তুললে!
কাটার আঘাত সইতে হবে কেনো গেলে ভুলে?

আমি রাখলাম হৃদমন্দিরে ;
তুমি কেনো প্রকাশিলে!
কলঙ্কের দাগ সিঁথির সিঁদুরে কেনো তুমি লাগালে?

চলছি আমি মেঠোপথে ;
পিচঢালা পথ কেনো চাইলে!
হুমড়ি খেয়ে শরীরের ক্ষত কেনো তবে বাড়ালে?

আমি চাইলাম মুক্ত আকাশ ;
চারদেয়ালে আটকালে!
দখিন হাওয়া গাইবে কেনো গাছের সরু মগডালে!

আমি দেখি সুপ্ত প্রভাত ;
আঁধার কেটে যায় ফুটে,
তুমি চাইলে আলো যেনো চিরতরে যায় টুটে!

আমি চলি বাস্তবতার ;
হোঁচট খাওয়া পথ মাড়িয়ে,
তুমি চাইলে দিবাস্বপ্নে রঙিন ফাঁনুস উড়িয়ে!

থামো এবার যাত্রাপথে ;
একটু দাওনা বিরতি,
তোমার কাছে শেষবেলাতে এটাই আমার আরতি!