কষাঘাতের এক ঘাত হলে প্রতিঘাত,
সম্পর্কের চলে টানপোড়ন!
ঈর্ষার বাসরে বসে যতই হিসাব কষে
কলুষতায় ভরবেই জীবন!
ঔদ্ধত্য পাশবিকতা নরমাংসের বারতা
ধুকেধুকে মেরেছে মহাকাল,
ক্রোধানলে পুড়ে মন আশীষে পুষে ধন
ভেসেছে একাল-সেকাল।
মথুরায় মোহনবাঁশি কর্ণগোচরে ভাসি
জমানো বুকের আর্তনাদ,
ঈশ্বর বৃন্দাবনে মাটির পুতুলের সনে
হৃদয়টা জড়িয়ে বরবাদ!
জনমজনম ভরে সেই সুখ আসে উড়ে
পুড়েপুড়ে হয়ে যায় নীল,
বিষাক্ত চাহনিতে মায়াঝরায় প্রভাতে
নীল দরিয়ায় মেরেছে খিল!
বিশ্বানল ছাড়িয়ে রয়েছে হাত বাড়িয়ে
এসোনা বুকেরই ভিতর,
তবুও খড়গ চলে দিকভ্রান্ত এলোমেলে
উনুনের উত্তাপের উপর!
রজনী যাবে কেটে প্রভাতি আকাশ ফেটে
রবির আনাগোনার আশে,
রেখে দুয়ারে সম বারতায় নিজ মম
রাখো যদি ভালোবাসা পাশে।
জয়তা ললাটে মেখে ভাসো নিজ সুখে
অপরের কাঁধে রেখে পা,
ভজেছো ঈশ্বর করে রয়েছো দূরে সরে
সবই মেকি সবই যে ধাপ্পা!
মন্তব্য (5)