শোষণী ঋণ
আব্দুল কাদির মিয়া
===============
ভাত দে মা
ভাত দে মা তুই খোরায় আমার,
দেখবো না তোর হাড়ি।

কেন নিলো তোর দুষ্টু ছেলে,
মুখের খাবার কাড়ি?

তাঁর ঋণে যে শ্মশান বনে-
আজ শৃগাল ডাকা ভিটা,
দিল আমায় শেষ উপহার,
ঢোল পিটিয়ে কলঙ্কে তাঁর-
পাড়ি ধরি দুঃখের নদী,
সুখের গলে গিটা।

ভাত দে মা,
ভাত দে মা তুই খোরায় আমার,
দেখবো না তোর হাড়ি,
কেন নিলো তাঁর দুষ্টু ছেলে-
মুখের খাবার কাড়ি?

দেই যদি ডুব নিন্দারণে-
ক্ষুধার টানে,
আমি গহীন বনবাসী।

রইবে কি তোর মানের ধূলো-
মেজবানে পরবাসে।

দেখবো মা তোর রুপের বাহার,
সব ভিখারি এক মিলে আর,
ছাড়বোনা আজ তোর মুখেতে,
লাগাম বেঁধে টানবো হেসে।

সোনার ছেলে বলবি কেমন,
এবার দেখবো টেরে তোর বিশ্ব গমন,
আমার মুখে থুক ফেলে তুই-
কেমন থাকিস ভালো।

সোহাগ আদর উঠলো লাটে,
কিনা লাগলো আগুন শাড়ির পাটে।
চমক হাসি আছে কি-না তোর,
ছাই বদনি কালো।

ভাত দে মা,
ভাত দে মা তুই খোরায় আমার-
দেখবো না তোর হাড়ি,
কেন নিলো তোর দুষ্টু ছেলে-
মুখের খাবার কাড়ি?