গোধূলি লগ্নে,
জীবন সায়াহ্নে,
দিনান্তের শেষের আবছা আলোয় একাকী নীরব, নিথর,নিস্তব্ধ দাঁড়িয়ে অশ্রুসিক্ত হয়েছিল একটি কিশোর।
সোনালী ডানার চিল ফিরে গিয়েছিল নীড়ে।
দুরন্ত ছেলেপুলের দল খেলা ছেড়ে যাচ্ছে ঘরে ফিরে।
ক্লান্ত মাঝি ও তার ছোট্ট ডিঙি ভিড়িয়েছিলো তীরে।
গৃহে ফেরার তরে।
অতঃপর... উষাপতি ডুব দিয়াছিলো আরন্য বিষাদে,তমসাচ্ছন্ন সান্ধ্যের পরে।
জোনাকির দল মৃদু আলো ছড়াচ্ছিলো মিটিমিটি জ্বলা নক্ষত্র রুপে আলোকবর্ষ দূরের ঐ নক্ষত্রের নিচে বিস্তির্ন প্রান্তরে।
অন্তরীক্ষে বসেছিলো তারার মেলা।
এক আকাশ নক্ষত্র মাথায় নিয়ে আধাঁরের নিস্তব্ধতায় সে অনুভব করেছিলো হৃদয়-গহীনের ভিন্ন এক জগৎ।
যে জগতে সবাই একা,
আধার রজনীর চাঁদের মতো একা,
অস্তমিত রবির মতো একা,
সন্ধেবেলার নীড়ে ফেরা ঝাঁক থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া শুভ্র ডানার গাঙচিলের মতো একা।

মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।