তিলোত্তমা: আগস্ট’২৫
তিলোত্তমার রাতের রোগীদেখা শেষ,
রুমালি রুটি আর চিকেন ভর্তা,
রাতের শেষ খাবার বন্ধুদের সাথে।
সবাই কি বন্ধু ছিল, নাকি কেউ ছদ্মবেশী পিশাচ!
তিলোত্তমা খেতে খেতে স্বপ্ন দেখে,
আসন্ন বিবাহ তার…
অতঃপর সেমিনার ঘরে মাথায় হাত রেখে শুয়ে পড়ে
চোখের পলক ভারী হয়ে আসে ক্লান্তিতে।
হিন্দি সিনেমার দৃশ্যের মতো রাত,
ফুটে ওঠে চোখের সামনে ভিশন-প্রোর মতো,
স্পাইডার লিলি-তে সাজানো বিছানা,
হবু বর এগিয়ে আসে হালকা নীল শেরওয়ানিতে,
মাথায় জরির পাগড়ি।
বর আলতো করে ঠোঁট ছোঁয়ায় তিলোত্তমার ঠোঁটে,
সারা শরীরে খেলে যায় এক অনন্য অনুভূতি....
হঠাৎ সব অন্ধকার! ঠোঁট ফেটে ঝরতে থাকে রক্ত,
বুক ফাটতে থাকে অদম্য দলনে,
দুই ঊরু বিদীর্ণ হতে থাকে,
অসহ্য যন্ত্রণা গ্রাস করতে থাকে সারা শরীর।
দম বন্ধ হয়ে আসে…
শুধু অকল্পনীয় অন্ধকার পড়ে থাকে সেমিনার ঘরে।
ছিন্নভিন্ন দেহে কপালে হাত রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমায় তিলোত্তমা…
শুধু রাত জাগে লাখ লাখ ভারতবাসী।
আর কালীঘাটের কালী,
উদ্দাম নৃত্য করে চার হাতে নরকঙ্কাল নিয়ে, উল্লাসে!