পান্থপাদপে বড় বড় কাচের শার্শি দেওয়া জানালা,
সকাল বেলার রোদ্দুর আসবে,
বসন্তে হিমেল বাতাস গায়ে শিরশিরানি জাগাবে।
বর্ষায় কফি আর চানাচুর দিয়ে মুড়ি খেতে খেতে
বাঁশগাছের মাথায় বৃষ্টি দেখবো জানালায় বসে।
এখন সব জানালা দুই সারি পর্দায় ঢাকা।
দিনের বেলাতেও আলো জ্বালিয়ে রাখতে হয়,
সম্বৎসর সব জানালা বন্ধ ডেঙ্গুর ভয়ে!
আমার বদ্ধ স্নানাগারে স্নান করতে ভালো লাগে না।
উন্মুক্ত আকাশের নীচে নদীতে বা
ঝর্ণায় নগ্ন স্নান আমার পছন্দ,
স্নানের পর হাওয়া আমার গা শুকিয়ে দেব,
ত্বকে জাগাবে শিহরণ!
কিছু প্রজাপতি আমার ত্বক থেকে জল শুষে নেবে।
আমি একা থাকলে শরীরে জামাকাপড় রাখতে পারি না,
বড় বালাই। নগ্ন এঘর-ওঘর ঘুরে বেড়াই,
কখনও ছাদে বুলবুল পাখিরা আমার হাতের দানা নিয়ে যায়,
ব্যালকনিতে বসে কবিতা পড়ি,
নিজেকে শিশুর মতো মনে হয় নিষ্পাপ!
যখন গাপ্পি মাছদের খাবার দিই ওরা আমায় দেখে,
ওদের কোনও বিকার নেই,
কেবল প্রতিবেশীরা দুশ্চরিত্র, লম্পট বলে গাল পাড়ে।
আমি ঘরে ঢুকে মেঝে পর্যন্ত লম্বা পর্দা টেনে দিই।
পি এস" এর হাটে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।