মিঠাইর মা
‘মিঠাইর মা’ পাড়ার সবার কাছে এক পরিচিত নাম। কুঞ্জবালা এই নামটি মিঠাই একটু বড়ো হবার পর অনেকেই ভুলে গেছে, কিন্তু যারা ‘মিঠাইর মায়ের হাতের রান্নার খেয়েছেন তারা সবাই ‘মিঠাইর মা-এর রান্না কেউ ভোলতে পারেনি ।
গ্রামেরের এক কোণে ছোট্ট এক চিলতে ঘরে মিঠাই আর তার মায়ের সংসার। মিঠাইর বাবা গত হয়েছেন বছর তিনেক আগে ঘটনায়। তখন থেকেই শুরু হয় মিঠাইর মা-এর জীবনযুদ্ধ। সম্বল বলতে ছিল স্বামীর রেখে যাওয়া একটা পুরনো সাইকেল আর নিজের হাতের জাদু।
খুব ভোরে যখন গ্রামেরের হাট আড়মোড়া দিয়ে জাগে, মিঠাইর মা তখন উনুনে আঁচ দেন। চালের গুঁড়ো আর গুড়ের সুগন্ধে ম-ম করে চারপাশ। তাঁর বিশেষত্ব হলো ‘দুধ-চিতই’ আর ‘পাটিসাপটা’। পাড়ার মোড়ে একটা ছোট পিঠার দোকান দিয়েছেন তিনি। বিকেল হলেই সেখানে ভিড় জমে। কেউ দিনের ক্লান্তি মেটাতে আসে, কেউবা আসে ঘরের মতো স্বাদ নিতে জড়ো হন।
মিঠাই এখন ক্লাস ফাইভে পড়ে। মা যখন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন, মিঠাই তখন টিমটিমে আলোয় পড়া মুখস্থ করে। মিঠাইর মা চান না তার ছেলে কোনোদিন তার বাবা মতো দরিদ্র শ্রমিকের জীবন যাপন করুক । তিনি চান মিঠাই যেন কলম ধরে, নিজের পায়ে দাঁড়ায়।
একদিন পাড়ার এক বিত্তশালী গিন্নি প্রভাবতী এসে বললেন, "মিঠাইর মা, আমার ছেলের বিয়েতে রান্নার দায়িত্বটা তুমি নাও।বকশিশ কম দেব না।" মিঠাইর মা হাসিমুখে রাজি হন-এভাবে মিঠাইয়ের বাবা চলে যাবার পর কুঞ্জবালা কত বাড়িতে রান্না করেছেন তার হিসাব নেই।স্বপ্ন একটাই ছেলেকে মানুষ করা।
জীবনটা তার সহজ নয়। হাড়কাঁপানো শীতেও তাকে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয়, এইটুকু বিশ্রাম। কিন্তু দিনের শেষে যখন মিঠাই স্কুল থেকে ফিরে মায়ের হাতে হাত রেখে বলে, "মা, বড় হয়ে আমি তোমাকে অনেক বড় বাড়িতে রাখব," তখন মিঠাইর মায়ের সব ক্লান্তি ধুয়ে যায়, কুঞ্জবতি স্বপ্নের দুনিয়ায় হারিয়ে যায়।
মিঠাইর মা শুধু একজন পিঠা বিক্রেতা নন; তিনি একজন লড়াকু মা, যার ঘামে ভেজা আঁচলটাই মিঠাইর কাছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। শত অভাবের মাঝেও তাঁর হাসিতে যেন এক অদ্ভুত তৃপ্তি লেগে থাকে।ছেলেটা কবে যেন বড় হয়ে মানুষ হবে!
গ্রামেরের এক কোণে ছোট্ট এক চিলতে ঘরে মিঠাই আর তার মায়ের সংসার। মিঠাইর বাবা গত হয়েছেন বছর তিনেক আগে ঘটনায়। তখন থেকেই শুরু হয় মিঠাইর মা-এর জীবনযুদ্ধ। সম্বল বলতে ছিল স্বামীর রেখে যাওয়া একটা পুরনো সাইকেল আর নিজের হাতের জাদু।
খুব ভোরে যখন গ্রামেরের হাট আড়মোড়া দিয়ে জাগে, মিঠাইর মা তখন উনুনে আঁচ দেন। চালের গুঁড়ো আর গুড়ের সুগন্ধে ম-ম করে চারপাশ। তাঁর বিশেষত্ব হলো ‘দুধ-চিতই’ আর ‘পাটিসাপটা’। পাড়ার মোড়ে একটা ছোট পিঠার দোকান দিয়েছেন তিনি। বিকেল হলেই সেখানে ভিড় জমে। কেউ দিনের ক্লান্তি মেটাতে আসে, কেউবা আসে ঘরের মতো স্বাদ নিতে জড়ো হন।
মিঠাই এখন ক্লাস ফাইভে পড়ে। মা যখন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন, মিঠাই তখন টিমটিমে আলোয় পড়া মুখস্থ করে। মিঠাইর মা চান না তার ছেলে কোনোদিন তার বাবা মতো দরিদ্র শ্রমিকের জীবন যাপন করুক । তিনি চান মিঠাই যেন কলম ধরে, নিজের পায়ে দাঁড়ায়।
একদিন পাড়ার এক বিত্তশালী গিন্নি প্রভাবতী এসে বললেন, "মিঠাইর মা, আমার ছেলের বিয়েতে রান্নার দায়িত্বটা তুমি নাও।বকশিশ কম দেব না।" মিঠাইর মা হাসিমুখে রাজি হন-এভাবে মিঠাইয়ের বাবা চলে যাবার পর কুঞ্জবালা কত বাড়িতে রান্না করেছেন তার হিসাব নেই।স্বপ্ন একটাই ছেলেকে মানুষ করা।
জীবনটা তার সহজ নয়। হাড়কাঁপানো শীতেও তাকে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয়, এইটুকু বিশ্রাম। কিন্তু দিনের শেষে যখন মিঠাই স্কুল থেকে ফিরে মায়ের হাতে হাত রেখে বলে, "মা, বড় হয়ে আমি তোমাকে অনেক বড় বাড়িতে রাখব," তখন মিঠাইর মায়ের সব ক্লান্তি ধুয়ে যায়, কুঞ্জবতি স্বপ্নের দুনিয়ায় হারিয়ে যায়।
মিঠাইর মা শুধু একজন পিঠা বিক্রেতা নন; তিনি একজন লড়াকু মা, যার ঘামে ভেজা আঁচলটাই মিঠাইর কাছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। শত অভাবের মাঝেও তাঁর হাসিতে যেন এক অদ্ভুত তৃপ্তি লেগে থাকে।ছেলেটা কবে যেন বড় হয়ে মানুষ হবে!
মন্তব্য যোগ করুন
এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।
মন্তব্যসমূহ
-
ইউসুফ তরুন ২৫/০২/২০২৬দারুন
-
ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা ১৭/০২/২০২৬অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
-
ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা ১৭/০২/২০২৬অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
-
ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা ১৭/০২/২০২৬অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
-
ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা ১৭/০২/২০২৬অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
-
জে এস এম অনিক ১৭/০২/২০২৬দারুণ
-
শঙ্খজিৎ ভট্টাচার্য ১৫/০২/২০২৬সুন্দর নিবেদন
-
ফয়জুল মহী ১১/০২/২০২৬এক কথায় অতুলনীয়,
