ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা
ডঃ মধুমঙ্গল সিনহা-এর ব্লগ
-
আমন্ত্রণ সুপার, ব্লাড, ব্লু-মুন দেখো,
১৫২ বছর পরে আজ মনে রেখো।
ভাগ্যবান বিশ্ববাসী চোখেতে দিখিবে,
না দেখিলে হৃদয়ে বেদনা যেন রবে। [বিস্তারিত] -
পরীক্ষা দিতে হবে যে সকল নেতার,
জনতা নম্বর দিবে তাদের খাতার!
রাজতন্ত্র অবসানে গণতন্ত্র এলো,
সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার পেল। [বিস্তারিত] -
উজ্জ্বল প্রভাতেরে করিলে আজি রবি,
তুমি ছাড়া এ পৃথিবী অগোছালো ছবি।
তোমার অগ্নিশিখা দিলো কত যে প্রাণ,
তুমি ছাড়া বিশ্বভ্রমান্ড মহাশ্মশান! [বিস্তারিত] -
মহানন্দে গান গাহে নদী তীরে পাখি,
ভালোবেসে গিরি তরে হৃদয়েতে রাখি।
অগস্ত্য হই যদি বনস্পতির ভিড়ে,
পাখি তুমি রেখো মোরে তোমার কোটরে। [বিস্তারিত] -
নয়নে নয়নে রাখিলাম প্রিয়ে তোরে,
হাসিতে নারিলাম ঐ দিবস অন্তরে!
কাহার বাঁশি পশিল যেন তবো কানে,
গম্ভীর হইলে কেন খলের দর্শনে! [বিস্তারিত] -
পুণ্য জন্ম দিবস ২৩ শে জানুয়ারি,
আসো আজি গাহি গান সব নর নারী।
বীর সেনাপতি তুমি ভারত রতন,
এ পুণ্য লগ্নে তোমারে করি যে স্মরণ। [বিস্তারিত] -
বুকের ভেতর বহে প্রেম মন্দাকিনী,
রবিঠাকুর মোর মনে জাগে রজনী।
কানে শুনে বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
যেন আজ লাগে বর্ষা শীতের দুপুর। [বিস্তারিত] -
আকাশে বাতাসে আবেগ আর আনন্দ,
শিশুদের গায়ে যেন স্বরস্বতী গন্ধ।
মণিময় চোখে সাজে কাজলের কালি,
শাড়ি পড়া মেয়ে গুলো হাতে পুষ্পডালি। [বিস্তারিত] -
কলোরব শুনি আমি ভোরের পাখির,
রাশি রাশি কুয়াশার সাগর গভীর।
চারিদিকেতে ডাক শুনি ঝিঝি পোকার,
সহস্র ফুল জাগায় নিজের বাহার। [বিস্তারিত] -
আমি ভালোবাসি এই বাঙলার মাটি,
তারে ভালোবেসে আজ লাগে সব খাঁটি।
সুর ভাষা আর কবিতারা কথা বলে,
দেবী দূর্গার আগমনীর ছন্দ তালে। [বিস্তারিত] -
নীল শাড়ি পড়া মেয়ে
জাগিল আকাশে,
সুমধুর গান শুনি,
নির্মল বাতাসে। [বিস্তারিত] -
'বসন্ত' হয়তোবা তোমায় ভুলে গেছি,
'শীত' আরো 'শীত বস্ত্র' নিয়ে শুয়ে আছি!
শৈত্যপ্রবাহে হৃদস্পন্দন স্তব্দ প্রায়,
'বসন্ত' তুমি যে হারিয়ে গেছো কোথায়! [বিস্তারিত] -
লাল পলাশ আর রক্ত রঙের জবা,
ঝলকে উঠে হৃদয়ে-গন্ধ শুঁকে কেবা!
শশিকলা রাতে জাগে আকাশের 'পরে,
কেন যাবে তুমি একা আঁধারেতে সরে? [বিস্তারিত] -
পূর্বদুঃখ যত ছিল মন ধুয়ে জলে,
স্বর্গ সুখ খুজে চলি দুঃখের বদলে।
কেবল খুঁজেছি আমি সুখের ঠিকানা,
আছে কি তোমাদের কারো কিছু জানা! [বিস্তারিত] -
বিরাজো বীরাঙ্গনা শুভ্র হৃদয় মাঝে,
কপাট খুলিয়া আমি দাঁড়িয়েছি সেজে।
সখি প্রেম সঞ্চয়িনী তুমি দ্বীপান্বিতা,
তোমা বিনা আঁধার গৃহকুঞ্জ ইপ্সিতা। [বিস্তারিত]
