গোলমালটা বাধে যখন ভাবতে বসি। সকল কিছু নিজের মানসী গড়নে ফেলতে চেষ্টা করি। সমস্যার মূলের দিকটাতে রয়েছে চাওয়া বা পাওয়ার ইচ্ছা। দৃশ্যগুলো বেশ পীড়া দেয়। অতীতকে মুছতে মুছতে স্মৃতির ঘরগুলোরই যেন আস্তরন তুলে ফেলেছু। স্মৃতির বোঝা বইতে সে এখন ভয় পায়। নিজে সব থেকে এতটা সরে পড়েছি যেন সকলের অতীতে আমি আর বর্তমান নেই। আর সকলের অতীতই যেন আমার বর্তমান হয়ে পলকে পলকে কষাঘাত করছে। জীবনের অন্যতর কোনো লক্ষ্যে আমার দৃষ্টি নেই। যা আছে সেটাকেই ভেঙে চুড়ে এফোর ওফোর করে দেখছি। কিন্তু জগতের চাই গতি। স্থবিরতা নয়। বিধাতা এমন পরিহাস করছেন আমার সাথে। লেখালেখিতে নাকি আবেগগুলো শান্ত হয়। এতে আবেগের পুনরাগমনকে অবশ্য বাঁধা দেওয়া হয় না। বরং একটি সমারোহ বিসর্জনে সে দেবতার আগমনকে আরও অনাকাঙ্ক্ষিত ও অজেয় করা হয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।