রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কোচিং। আজ শনিবার।
আসলে আমি যে কি পরিমান মানসিক বিকারগ্রস্ত তা বোঝার জন্য অবশিষ্ট কোনো উপসর্গ পর্যালোচনা করার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। ধীরে ধীরে জীবনটা যেন মনোমৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। ঠিক যেমন এই পৃথিবীর ঘনিয়ে আসছে তাপীয় মৃত্যু।
উদ্যানে বসে আছি, মধ্য বয়স্ক অনেক পেশাজীবীর মানুষেরা মর্নিং ওয়াক করছে, বিষয়টি উপভোগ্য। ওই দূরে এক মধ্যবয়সী রমনী এদিকেই আসছে হেঁটে, লালচে ফর্সা আবরিত দেহের গড়ন। জমিনের ওপর চির দৃষ্টি ফেলার পণ করেছে যেন, ভীষণ লাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছে হয়তো সে, স্পষ্ট বুকের মাংসপিণ্ড দারুণ লোভনীয়! সত্যই স্রষ্টার সৃষ্টি অদ্বিতীয়। হায়! দুনিয়ার অসভ্য মানবজাতি যে কেন এই অপরুপা দেহকে হত্যার সাধে মেতেছে!
হেঁটে চলা মানুষদের চেহারায় বিশেষ রোগের ছাপ! তাদেরও আমার মতো বয়স ছিল, নিশ্চয়ই খুব আফসোস হচ্ছে আমায় দেখে, কত আরামে বসে আছি আমি সুস্থ দেহে। তারা সবাই সকাল গড়ালে স্ব স্ব পেশায় ফিরে যাবে। প্রত্যেকের কাঁধেই কিছু প্রিয় মানুষের দায়িত্ব।
আর আমি বসে বসে ফোনের কি বোর্ড...। অথচ ওরা জানে না এই আমি নিজেকে শেষ করছি তিলে তিলে, নিজেরই জ্ঞানে! ধ্বংস হোক এ জীবন হে আল্লাহ। কোন ছোট পাপ এই জীবনের অভিধানে লেখা নেই। ধ্বংস এ জীবনের।
১০ অক্টোবর, সকাল ৭ টা ২৮
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।