আয়রে খুকি চন্দ্রমুখী, চাঁদ দেখিতে আয়,
মেঘের মাথায় টুপুর সাজে শশী দেখা যায়।
তোর মুখেরই নূরের ছটা পরখ করে নিই,
ও চাঁদ দেখে এ চাঁদেতে চুমু এঁকে দিই।
শুভ্রমেঘের টুপুর হয়ে কিরণ ছড়ায় চাঁদ,
আয়, দেখে যা— "মেঘের কেমন বর সাজিবার সাধ"।
তারার জোনাক মিটি জ্বলে আকাশ হাসে ওই,
আয় দেখে যা চাঁদের হাটে আসর বসে কই।
চাঁদ যেন এক রুপোর থালা— ভাসে নীলের কোল,
মেঘ যেন তার সাদা ঘোড়া— হাওয়াতে খায় দোল।
শিশির ফোঁটা দুধের মতো ঘাসের উপর তিল,
চাঁদ-কিরণের আলোক ছটায় করে ঝিলিমিল।
আয় খুকি আয়, হাত বাড়িয়ে চাঁদের কিরণ ধর,
মুঠোয় পুরে জোছনা সাজা তোর পুতুলের ঘর।
চাঁদমামা আজ রুপোর বাঁশি বাজায় মিঠে সুর,
শুনতে পাবি কান পেতে দে দৃষ্টি রেখে দূর।
মেঘের কোলে চাঁদনী মায়ে ঢাকে দুধের বাট,
মুখের হাসি ফুলের সুবাস ছড়ায় চাঁদের হাট।
চাঁদ ডুবে যায়, আঁধার ঘনায়, চোখে নামে ঘুম,
খুকির গালে চাঁদ এঁকে দেয় জোছনামাখা চুম।

মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।