পর্ব ৭ : শেষ স্মৃতির মৃত্যু
১. কালাপাহাড়ের পথে
রাত পেরিয়ে ভোর হয়েছে।
মেহরিন একটা পুরোনো গাড়িতে বসে আছে। তার পাশে সালমা।
গাড়ির জানালার বাইরে তাকালে শুধু পাহাড় আর ঘন কুয়াশা দেখা যায়।
তাদের গন্তব্য কালাপাহাড়।
সেই পাহাড়, যেখানে একসময় মমের প্রথম সৃষ্টি হয়েছিল।
সালমা একটা পুরোনো মানচিত্র মেহরিনের হাতে দিয়ে বললেন,
— এই পাহাড়ে পৌঁছানোর পর তুই আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারবি না।
মেহরিন বলল,
— এমনকি আপনাকেও না?
সালমা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
— বিশেষ করে আমাকে।
মেহরিন অবাক হয়ে তাকাল।
— কেন?
সালমা জানালার বাইরে তাকিয়ে বললেন,
— কারণ এই যাত্রায় আমি তোর সঙ্গে এসেছি শুধু তোকে সাহায্য করার জন্য নয়। আমারও একটা হিসাব বাকি আছে।
মেহরিন আর প্রশ্ন করল না।
হঠাৎ তার বুকের ভেতর থেকে আহমাদের কণ্ঠ ভেসে এলো।
— মেহরিন!
সে বুকের ওপর হাত রাখল।
— আহমাদ, তুমি শুনতে পাচ্ছ?
— হ্যাঁ। কিন্তু আমার সময় শেষ হয়ে আসছে।
— আমি তোমাকে ফিরিয়ে আনব।
আহমাদ ধীরে বলল,
— আমাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলো না।
২. যে মানুষকে কবর দেওয়া হয়েছিল
বিকেলের দিকে তারা কালাপাহাড়ের পাদদেশে পৌঁছাল।
সেখানে একটি পরিত্যক্ত কবরস্থান।
মেহরিন মানচিত্র মিলিয়ে একটি কবরের সামনে দাঁড়াল।
কবরের ফলকে লেখা—
নূরজাহান রহমান।
মেহরিন অবাক হয়ে গেল।
তার মা তো বহু বছর আগে মারা গেছেন বলে সে জানত।
সালমা বললেন,
— এই কবরটা তোর মায়ের নয়।
— তাহলে কার?
— যে মানুষটাকে তুই মা বলে চিনিস, তার আসল নাম ছিল নূরজাহান। কিন্তু এই কবরের ভেতরে শুয়ে আছে তার যমজ বোন।
মেহরিন স্তব্ধ হয়ে গেল।
— তার যমজ বোন?
সালমা মাথা নাড়লেন।
— তুই যাকে নিজের মা বলে জানিস, সে আসলে অন্য একজনের পরিচয় নিয়ে বেঁচে আছে।
মেহরিনের চোখে পানি চলে এলো।
— তাহলে আমার আসল মা কোথায়?
সালমা কবরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
— তুই নিজেই তাকে কবর দিয়েছিলি।
মেহরিন পিছিয়ে গেল।
— আমি?
হঠাৎ তার মাথার ভেতর প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হলো।
তার চোখের সামনে একটা দৃশ্য ভেসে উঠল।
ছোট্ট মেহরিন হাতে একটা কোদাল নিয়ে মাটি খুঁড়ছে।
তার সামনে একজন নারী নিথর হয়ে পড়ে আছেন।
ছোট্ট মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বলছে,
— মা, তুমি ঘুমাও। আমি কাউকে বলব না।
দৃশ্যটা মিলিয়ে গেল।
মেহরিন মাটিতে বসে পড়ল।
তারপর ফিসফিস করে বলল,
— আমি আমার মাকে হত্যা করেছিলাম?
৩. প্রথম চাবি: মৃত আগুন
পাহাড়ের আরও গভীরে এগিয়ে গেল তারা।
একসময় একটা বিশাল গুহা দেখতে পেল।
গুহার ভেতরে কোনো আলো নেই।
কিন্তু মাঝখানে নীল আগুন জ্বলছে।
সালমা বললেন,
— এটাই মৃত আগুন। এই আগুনে মম তৈরি হয়েছিল।
মেহরিন কাছে যেতেই আগুনের ভেতর থেকে একটা নারীর কণ্ঠ ভেসে এলো।
— মেহরিন, তুই আবার ফিরে এসেছিস?
মেহরিন বলল,
— আমি প্রথম চাবি নিতে এসেছি।
আগুনের ভেতর থেকে একটি হাত বেরিয়ে এলো।
হাতের তালুতে একটি ছোট সোনালি চাবি।
কিন্তু চাবি নিতে গেলে আগুনের ভেতর থেকে একটা শর্ত জানানো হলো।
— চাবি পেতে হলে তোর সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিটা আমাকে দিতে হবে।
মেহরিন বুঝতে পারল, এই স্মৃতি হলো আহমাদের সঙ্গে তার শেষ রাত।
সেই রাতে আহমাদ তাকে বলেছিল,
— মেহরিন, পৃথিবীতে যদি আবার জন্ম নিই, তবুও তোমাকেই ভালোবাসব।
মেহরিন কাঁদতে কাঁদতে চোখ বন্ধ করল।
— আমি আমার স্মৃতি দিতে রাজি।
হঠাৎ আগুন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল।
তারপর সব অন্ধকার।
কিছুক্ষণ পর মেহরিন চোখ খুলল।
তার হাতে সোনালি চাবি।
কিন্তু সে আর মনে করতে পারছে না আহমাদ তাকে কোনোদিন ভালোবেসেছিল কি না।
তার কাছে শুধু একজন অচেনা মানুষের জন্য বুকের মধ্যে অদ্ভুত শূন্যতা রয়ে গেল।
প্রথম চাবি অর্জিত
৪. সালমার আসল পরিচয়
চাবি পাওয়ার পর তারা গুহা থেকে বের হলো।
সালমা মেহরিনের দিকে তাকিয়ে বললেন,
— তুই কি জানিস, তোর স্মৃতির বিনিময়ে শুধু চাবি পাওয়া যায়নি?
মেহরিন জিজ্ঞেস করল,
— তাহলে?
সালমা বললেন,
— মম এখন তোর স্মৃতির ভেতরে প্রবেশ করার পথ পেয়েছে।
মেহরিন থমকে গেল।
— আপনি আগে থেকে জানতেন?
সালমা এবার নিজের মুখের ওড়না সরালেন।
মেহরিন চমকে উঠল।
সালমার মুখে একটি পুরোনো ক্ষত।
সেই ক্ষতটি দেখতে ঠিক মমের মতো সাদা।
সালমা বললেন,
— আমি শুধু তোমার পরিবারের পরিচিত কেউ নই। আমি একসময় নূরজাহানের সহকারী ছিলাম।
— আপনি মম তৈরিতে সাহায্য করেছিলেন?
— হ্যাঁ।
— তাহলে এতদিন আমাকে সাহায্য করার ভান করছিলেন কেন?
সালমার চোখে পানি চলে এলো।
— কারণ আমার নিজের মেয়েও মমের অভিশাপে হারিয়ে গেছে।
তিনি একটি পুরোনো ছবি বের করলেন।
ছবিতে সালমার পাশে ছোট্ট একটি মেয়ে।
মেহরিন ছবিটা হাতে নিয়ে দেখল।
মেয়েটির মুখ অবিকল আয়রার মতো!
মেহরিন বলল,
— এই মেয়েটি কে?
সালমা উত্তর দিলেন,
— আমার মেয়ে। নাম ছিল আয়রা।
মেহরিনের মাথা ঘুরে গেল।
— কিন্তু আয়রা তো আমার মেয়ে!
সালমা চোখ বন্ধ করে বললেন,
— না, মেহরিন। তোর মেয়ের নাম ছিল অন্য কিছু। আয়রা ছিল আমার মেয়ের নাম।
মেহরিন বুঝতে পারল, এতদিন তাকে যে ইতিহাস বলা হয়েছে, তার অনেকটাই মিথ্যা।
৫. দ্বিতীয় চাবি: রক্তের আয়না
রাত নামার আগে তারা পাহাড়ের পেছনে একটি গুহা খুঁজে পেল।
গুহার ভেতরে লাল রঙের বিশাল একটি আয়না।
আয়নার গায়ে অসংখ্য মানুষের নাম লেখা।
মেহরিন নিজের নাম খুঁজতে গিয়ে দেখল, সেখানে আহমাদের নামও আছে।
কিন্তু আহমাদের নামের পাশে লেখা—
অস্তিত্ব: বিলুপ্ত।
মেহরিন হাত বাড়িয়ে আয়নাটা স্পর্শ করল।
সঙ্গে সঙ্গে আয়নার ভেতরে দৃশ্য ভেসে উঠল।
একটি ঘরে আহমাদ বসে আছে।
তার সামনে একজন বৃদ্ধ মানুষ।
আহমাদ বলছে,
— বাবা, মেহরিনকে বাঁচাতে হলে আমাকে কী করতে হবে?
বৃদ্ধ উত্তর দিলেন,
— তোর অস্তিত্বের শেষ অংশটুকুও বিসর্জন দিতে হবে।
আহমাদ বলল,
— আমি রাজি।
মেহরিন চিৎকার করে উঠল,
— না, আহমাদ!
দৃশ্যটি থেমে গেল।
আয়নার ভেতর থেকে একটি কণ্ঠ বলল,
— দ্বিতীয় চাবি পেতে হলে নিজের মুখোমুখি হতে হবে।
মেহরিন আয়নায় তাকাল।
সেখানে তার নিজের প্রতিবিম্ব।
কিন্তু প্রতিবিম্বটি হাসছে।
প্রতিবিম্ব বলল,
— তুই কি সত্যিই আহমাদকে বাঁচাতে চাস?
— হ্যাঁ।
— তাহলে নিজের অপরাধ স্বীকার কর।
মেহরিন কাঁদতে কাঁদতে বলল,
— আমি কী অপরাধ করেছি?
প্রতিবিম্ব উত্তর দিল,
— তুই ভালোবাসার নামে যাকে বাঁচাতে চেয়েছিলি, তাকেই বারবার মৃত্যুর কাছে ঠেলে দিয়েছিস।
মেহরিন মাথা নিচু করল।
— হ্যাঁ। আমি ভুল করেছি।
প্রতিবিম্ব আবার বলল,
— তুই কি নিজের অস্তিত্ব বিসর্জন দিতে প্রস্তুত?
মেহরিন উত্তর দিল,
— আহমাদ বেঁচে থাকলে আমি সব দিতে পারি।
আয়নার ওপর ফাটল ধরল।
ভেতর থেকে একটি রক্তলাল চাবি বেরিয়ে এলো।
দ্বিতীয় চাবি অর্জিত
৬. শেষ স্মৃতির মৃত্যু
দুটি চাবি হাতে নিয়ে মেহরিন গুহা থেকে বের হলো।
কিন্তু বাইরে এসে দেখল, সালমা নেই।
শুধু মাটিতে পড়ে আছে তার ওড়না।
মেহরিন চারদিকে খুঁজতে লাগল।
— সালমা! আপনি কোথায়?
হঠাৎ পেছন থেকে কণ্ঠ ভেসে এলো।
— আমি এখানেই।
মেহরিন ঘুরে তাকাল।
সালমা দাঁড়িয়ে আছেন।
কিন্তু এবার তার শরীরের অর্ধেক সাদা হয়ে গেছে।
মেহরিন ছুটে গেল।
— আপনার কী হয়েছে?
সালমা বললেন,
— দ্বিতীয় চাবি নেওয়ার সময় মম আমার শরীরের ভেতরে প্রবেশ করেছে।
— আপনাকে বাঁচাতে হবে!
সালমা মৃদু হাসলেন।
— আমার আর বাঁচার প্রয়োজন নেই।
তিনি মেহরিনের হাতে একটি চিঠি দিলেন।
— এটা তোর জন্য।
মেহরিন চিঠিটা খুলল।
লেখা—
'মেহরিন,
আমি তোকে এতদিন একটা সত্য বলিনি।
আহমাদ আমার সন্তান নয়। সে আমার স্বামীর সন্তানও নয়।
আহমাদ হলো মমের প্রথম শিকার।
তোর জন্মের আগেই সে পৃথিবীতে এসেছিল।
আর তোর মা নূরজাহান তাকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে নিজের আত্মা হারিয়েছিলেন।
তুই যাকে আহমাদ বলে ভালোবাসিস, সে আসলে বহু মানুষের স্মৃতি নিয়ে তৈরি একটি অস্তিত্ব।
তাকে বাঁচাতে হলে মমের মূল আত্মাকে ধ্বংস করতে হবে।
আর সেই মূল আত্মা হলো তোর নিজের ভেতরে বন্দি দ্বিতীয় মেহরিন।'
মেহরিন চিঠি থেকে মুখ তুলল।
— দ্বিতীয় মেহরিন?
সালমা মাথা নাড়লেন।
— হ্যাঁ। তোর দ্বিতীয় অস্তিত্বই মমের মূল শক্তির ধারক।
হঠাৎ সালমার শরীর থেকে সাদা ধোঁয়া বের হতে শুরু করল।
তিনি শেষবারের মতো বললেন,
— তৃতীয় চাবি পেতে হলে তোকে নিজের দ্বিতীয় অস্তিত্বকে হত্যা করতে হবে।
এরপর সালমার শরীর মোমের মতো গলে মাটিতে মিশে গেল।
মেহরিন একা দাঁড়িয়ে রইল।
৭. যে শিশুটি ফিরে এলো
রাত গভীর।
মেহরিন পাহাড়ের একটি পাথরের ওপর বসে আছে।
তার কাছে এখন দুটি চাবি।
কিন্তু তৃতীয় চাবি কোথায়, সে জানে না।
হঠাৎ দূরে একটা শিশুর কান্না শোনা গেল।
মেহরিন উঠে দাঁড়াল।
একটি ছোট্ট মেয়ে তার দিকে এগিয়ে আসছে।
মেয়েটির হাতে লাল ফিতা।
মেহরিন ফিতাটা চিনতে পারল।
এটাই সেই ফিতা, যা সে আয়নার জগতে পেয়েছিল।
মেয়েটি বলল,
— মা, তুমি আমাকে চিনতে পারছ না?
মেহরিনের চোখে পানি চলে এলো।
— আয়রা?
মেয়েটি মাথা নাড়ল।
— হ্যাঁ, মা।
মেহরিন তাকে জড়িয়ে ধরতে গেল।
কিন্তু মেয়েটি বলল,
— মা, আমাকে ছুঁয়ো না। আমার শরীরেও মমের অভিশাপ আছে।
মেহরিন কাঁদতে কাঁদতে বলল,
— তুমি কোথায় ছিলে এতদিন?
আয়রা উত্তর দিল,
— আমি মমের ভেতরে ছিলাম।
— তুমি কি আহমাদকে দেখেছ?
আয়রা মাথা নাড়ল।
— দেখেছি। বাবা এখনো তোমার অপেক্ষায়।
মেহরিন অবাক হয়ে বলল,
— বাবা?
আয়রা বলল,
— হ্যাঁ, আহমাদ আমার বাবা।
মেহরিনের চোখ ভিজে উঠল।
— তুমি কি জানো, তাকে কীভাবে ফিরিয়ে আনতে হবে?
আয়রা ধীরে ধীরে বলল,
— জানি। কিন্তু তৃতীয় চাবি পাওয়ার পর তোমাকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
— কী সিদ্ধান্ত?
আয়রা মায়ের হাত ধরে বলল,
— বাবা অথবা তুমি। দুজনের মধ্যে একজনকে পৃথিবী থেকে চিরদিনের জন্য হারিয়ে যেতে হবে।
৮. পর্বের শেষ দৃশ্য
মেহরিন মেয়েকে বুকে টেনে নিল।
কিন্তু এবার অদ্ভুত ঘটনা ঘটল।
আয়রার শরীর থেকে সাদা আলো বের হতে লাগল।
মেহরিন আতঙ্কিত হয়ে বলল,
— আয়রা! তোমার কী হচ্ছে?
আয়রা মৃদু হাসল।
— মা, আমি তো আসলে তোমার মেয়ে নই।
মেহরিন থমকে গেল।
— কী বলছ?
আয়রা বলল,
— আমি সালমার মেয়ে। তোমাকে পথ দেখানোর জন্য আমাকে মমের স্মৃতি থেকে তৈরি করা হয়েছিল।
মেহরিন মেয়েটিকে শক্ত করে ধরতে গেল।
কিন্তু আয়রা ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে গেল।
যাওয়ার আগে বলল,
— মা, শেষ চাবিটা খুঁজতে হলে নিজের হৃদয়ের ভেতরে তাকাও।
তারপর চারদিকে অন্ধকার নেমে এলো।
মেহরিন একা দাঁড়িয়ে রইল।
হঠাৎ তার বুকের ভেতর থেকে আহমাদের কণ্ঠ ভেসে এলো।
— মেহরিন, আমাকে বাঁচিও না!
মেহরিন চিৎকার করে বলল,
— কেন?
আহমাদ বলল,
— কারণ আমি এখন সব সত্য জেনে গেছি।
— কী সত্য?
আহমাদ উত্তর দিল,
— মমের মূল আত্মা তোর ভেতরে নয়, আমার ভেতরে বন্দি। আর তৃতীয় চাবি পেতে হলে আমাকে হত্যা করতে হবে।
ঠিক তখনই মেহরিনের সামনে মাটির নিচ থেকে একটি দরজা উঠে এলো।
দরজার ওপর লেখা—
'শেষ স্মৃতির দরজা। প্রবেশ করলে আর কোনোদিন নিজের অতীত মনে থাকবে না।'
দরজার নিচে আরও একটি বাক্য—
'যে ভালোবাসা অভিশাপ হয়ে জন্মেছে, তার মুক্তি ঘটবে আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে।'
মেহরিন ধীরে ধীরে দরজার হাতল ধরল।
দরজার ওপাশ থেকে দ্বিতীয় মেহরিনের হাসি শোনা গেল।
— আয়, মেহরিন। এবার আমাদের শেষ দেখা হবে।
পর্ব ৭-এর শেষ রহস্য
এবার গল্পের শেষ তিনটি পর্বের যাত্রা শুরু।
1. দ্বিতীয় মেহরিন কি সত্যিই মমের মূল আত্মা?
2. আহমাদকে হত্যা না করে কি অভিশাপ ধ্বংস করা সম্ভব?
3. সালমার মেয়ে আয়রা কেন মেহরিনের সামনে এসেছিল?
4. তৃতীয় চাবি কি সত্যিই আহমাদের মৃত্যুর বিনিময়ে পাওয়া যাবে?
5. মেহরিন কি নিজের স্মৃতি, ভালোবাসা ও অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে আহমাদকে বাঁচাতে পারবে?
চলবে...
পর্ব ৮: অভিশপ্ত রাজ্যের পথে
পরবর্তী পর্বে মেহরিন প্রবেশ করবে শেষ স্মৃতির দরজার ওপাশে। সেখানে অপেক্ষা করছে তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রু—তার নিজের আরেকটি অস্তিত্ব।

মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।