www.tarunyo.com

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

প্রেমিকের হাত ঘড়ি

আমি আমার জীবনে অনেক ঘড়িই হাতে পরেছি। তবে আমার শেষ ঘড়িটি আমি পড়েছি আজ প্রায় দেড় বছর। ঘড়িটির দাম ছিল প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। ঘড়িটি আমি আমার এক খালাত ভাইকে দিয়ে দেই নিজের হাত থেকে খুলে। এরপর আজ দেড় বছর, আমি নিজের জন্য ঘড়ি কিনিনি। মাঝে মাঝে এক বন্ধুর হাত থেকে ঘড়ি নিয়ে নিজের হাতে পরি। মাঝে মাঝে বলি “এই ঘড়িটা আমার কাছে বিক্রি করবি? কত নিবি? একশ টাকা?” ঘড়িটির দাম ছিল সাতশ টাকা। তবে তাও প্রায় পাঁচ বছর আগে। হ্যাঁ, ঘড়িটির বয়স ছিল প্রায় পাঁচ বছর।
আমি এতো গরিব না যে একটা হাত ঘড়ি কিনতে পাড়ব না। তবে আমি চাই না টাকা দিয়ে কিনা হাত ঘড়ি পরতে। আমি চাই ভালবাসা দিয়ে একটা ঘড়ি। যা আমি বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া হাত থেকে খুলবই না। কিন্তু সেই মানুষটি কে হবে, যার দেওয়া ঘড়ি আমি পরব। আসলে উপহারত আর বলে নেওয়া যায় না। কেউ উপহার দিলে হয়ত তাতে খুশি হওয়া যাবে। আমি চাই আমার প্রেমিকা, আমার ভালবাসার মানুষ আমকে একটা হাত ঘড়ি উপহার দেক। তাকে আমি বলিনি আমাকে উপহার দাও। সে কি আমার কথা বুঝতে পারবে? কোন একদিন কি সে আমার হাতে তার দেওয়া ঘড়ি পরিয়ে দিবে?
অনেক সময় বন্ধুরা বলত তারা একটি ঘড়ি দিবে আমাকে। কিন্তু আমি নিতে রাজি হইনি। আমার কথা ছিল, একটি মেয়ে হতে হবে যে আমাকে ঘড়ি উপহার দিবে। একদিন আমার এক বান্ধবি একটি ঘড়ি উপহার দেয়। তবে...
আমার ভালবাসার মানুষটি আমার বোকে শুয়েছিল। আমি তাকে এই গল্পটি শুনাই। শুধু মাত্র একটি গল্প হিসেবে। কিছু দিন পর ১১ই ডিসেম্বর সে আমাকে একটি সোনালি রং এর ঘড়ি উপহার দেয়। আজ আমার একটিই ঘড়ি, তার দেওয়া একটিই উপহার।
সমাপ্ত।
বিষয়শ্রেণী: গল্প
ব্লগটি ৬৫ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের তারিখ: ১২/০৯/২০১৯

মন্তব্য যোগ করুন

এই লেখার উপর আপনার মন্তব্য জানাতে নিচের ফরমটি ব্যবহার করুন।

Use the following form to leave your comment on this post.

মন্তব্যসমূহ

 
Quantcast