আত্মচিৎকার(মা)
পরিচিত সে ডাক হয়ে গেছে পুরনো
বছর কয়েক আগের কথা মনে পড়ে এখনো।
হিংসাত্মক মন আমার-হয়- যখন দেখে অন্যথায়
'মা' বলে ডাকে যখন পৃথিবীর অন্য সবাই।
খুব মধুর সেই সুর
কতো চিরচেনা সেই সুর।
আজ সময়ের স্তরে স্তরে
হয়ে গেছে সেই ডাক -আত্মচিৎকার-অন্তরে।
সহস্রবার চিৎকারে আসবেনা কোনো প্রত্যুত্তর
ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হবে দূর বহুদূর-সমুদ্দুর।
খুনসুটি-একটু ঝগড়া-থাকে অন্তহীন ভালোবাসা
কথার ফাঁকে চুপটি করে আলতো ছোঁয়ায় কাছে আসা।
আজ তুমি নেই–নেই তুমি পাশে
আমি নিশ্চুপ হেথায় তুমি অন্য আকাশে।
আদরে অনাদরে বেদনার চাদরে—
ছেয়ে আছে ভেজা সিক্ত মন
বুকে টেনে নেবার মতো—
নেই কোনো আপনজন।
চলেছি পথ নিশ্চুপ একাকী
প্রকৃতিও হয়েছে বড্ড ফাঁকি
রাখতে তুমি সযত্নে চোখে চোখে
কেন চলে গেছো তুমি নির্মম পৃথিবীতে রেখে?
কবিতাও আজ হতে পারতো অন্যরকম ছন্দে
মন খারাপের কারণ গুলো মরতো ধুঁকে ধুঁকে
করতো না কেউ অবর্তমানে তোমার-অযত্ন অবহেলা
বলতো না কেউ এই ছেলে মাতৃহীনা।
তুমি কি ফিরবে না আর?
করবো না গল্প -কোলে মাথা রেখে তোমার?
রাত খুব একাকী লাগে জানে শুধু চোখ জোড়া
কপালে লেপে দিতে কাজল রেখা—
নজর না লাগে যেন এই ছিলো ধারা।
হতো যদি সুযোগ কোনো একদিন
বলতাম শুধু একটা কথা-
"কেনো রেখে চলে গেলে সেদিন? "
দেখতাম না তবে এই পৃথিবীতে সময়ের দুর্দিন।
পূর্ণতার থেকে শূন্যতা বেশি
পৃথিবীর গোলকরেখায় দিতো যদি একটু সময়
ডাকতাম তোমায় আর একটু অল্প উন্মেষী।।
মন্তব্য (11)