জনসেবা বা জনগণের উন্নয়ণ বলতে আমরা এখন নেতাদের জাতীয় সম্পদের ব্যাপক হরিলুট আর জবর দখল বুঝি! জনসেবা মানে হলো- রাস্তা-ঘাট নির্মাণ, সেতু, পুল আর কালভার্ট বানানো: বাবা-মায়ের নামে স্কুল, কলেজ বা এতিমখানা তৈরি (সবই সরকারি অর্থে), মাঝে মাঝে কম্বল আর ডাল-খিচুরি বিতরণ!
কর্মীদের জনসেবা মানে হলো, নেতাদের চামচামি আর তেলমর্দন।
রাজনীতির মানে হলো- ক্ষমতায় গিয়ে দখল, লুটপাট, চাঁদাবাজি, ডাকাতি আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস!
"মানুষ মানুষের জন্য' বা আর্তের সেবায় জীবন' - এগুলো শুধু গানের কথা বা নাটকের সংলাপ!
মানুষের সেবাই ধর্ম! পরস্পরের কল্যাণ কামনাই ধর্ম। জনগণের সেবা মানে স্রষ্টার সেবা- এগুলো ভুলে, জনগণের উপর দাপট দেখানো এখন রাজনৈতিক ফ্যাশন আর সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই যে যারা জনসেবক নামে পরিচিত, তারা কি কখনো কোনো রোগীর সেবা করেছেন?
অভাবগ্রস্থের পাশে দাঁড়িয়েছেন?
অনাহারের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছেন?
বস্ত্রহীনে বস্ত্র আর গৃহহীনে ঘর দিয়েছেন?
অসহায়ের পাশে আর দুখির কাছে নিজেকে সঁপেছেন?
মানুষের পারস্পরিক বিভেদ-কলহে কি মিলনের ভুমিকা নিয়েছেন?
নাকি আরো ব্যাপকভাবে বিচ্ছেদের ধান্ধা করেন?
মনে রাখতে হবে, জনগণের সেবা করার দায়িত্ব নিয়ে যারা দায়িত্বের অবহেলা বা জন সম্পদ লুটছে, একদিন তাদের পরপারে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
মন্তব্য (3)