অনেক রাত তাই না?
কি লিখবো? স্যরি, টাইপ করবো? জানিনা। মাথার ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। রাত ৯টা ১৭ থেকে ১১:৩০ পর্যন্ত পড়ার পর নামাজ পড়ে খাওয়া সেরে ভাবতে শুরু করলাম। ভাবাভাবির ফলাফল অসীম শূন্যতা। মানে যা করছি বা যা করতে চাইছি তার শেষে নাই কিছুই। শুধু শুধু মাঝখানের সময় গুলো অকারন চাপ নেয়া। চাপ কি আমি কিংবা আমরা নিচ্ছি? স্বেচ্ছায়? নাকি দেয়া হচ্ছে? ঘরে বাবা-মা, ফ্রেন্ড সার্কেলে উজ্জ্বল বন্ধু গুলো, ঘরের বাইরে প্রতিবেশী, ঘাড়ে মাথা রাখা প্রিয় মানুষটা কে না দিচ্ছে? হয়তো তারা নিজেরাও জানে না তারা আসলে কি দিচ্ছে আমাদের। আমাদের বড় হওয়ার চাপ দিচ্ছে। আর সেই বড় হওয়ার জন্য কমপ্ল্যান বা হরলিক্সের মত পুষ্টিকর খাদ্যের ভূমিকা পালন করছে ঢাবি, ঢামেক, বুয়েট এর মত ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্ট।
ভাব নিচ্ছি না। ঢাবিতে পড়তে চাই আমিও। আমার নিজের ইচ্ছায়ই। কারো চাপে নয়। প্রিয় মানুষটার না, প্রতিবেশীর না, সফল বন্ধুর না, বাবা-মা'য়েরও না। কোন ব্র্যান্ডে পড়তে চাইনি বলে বড় হওয়ার গতানুগতিক পথটা ছেড়ে দিয়েছিলাম এসএসসির পরই। হয়তো বড় হতে পারবো না। সরকারী গাড়ি, বাসভবন, চাকর-বাকর পাবো না। ছোট্ট একটা বাসা আর মোটামুটি মাঝে মাঝে সিএনজি কিংবা ট্যাক্সি চড়ার সামর্থ্য হলেই চলবে।
বুক ফুলিয়ে অন্তত বলতে তো পারবো, আমি আমার মত বড় হয়েছি। কারো চাপে নই। আমি আমার রাজ্যে বিচরণ করছি। অন্য কারো ঠিক করে দেয়া রাজ্যে নই।
হ্যাপী ব্র্যান্ডিং!!!
১২/৫/২০১৫ তারিখ এর ফেবুর স্ট্যাটাস। আমার সাথে ফেবুতে যোগাযোগ করতে চাইল :https://www.facebook.com/tariquul.islam
Comments (9)