রোজা রেখেও মিথ্যা
রোজার মাসেও অনেকে মিথ্যা ছাড়েনি। লোকদেখানোর জন্য রোজা রেখে সমাজে সে ধার্মিক সাজার কতই না কসরৎ করছে! এই পশুগুলোকে আমি মুসলমান মনে করি না। এরা শয়তানের চেয়েও অতীব শয়তান। এরা রোজা রেখে আজ মিথ্যা, সুদ, ঘুষ, প্রতারণা, ছলনা, ভণ্ডামি ইত্যাদি কোনোকিছুই বাদ দিচ্ছে না।
রোজার মাস এলে অনেকে মুখোশ-ধারণ করে। লেবাসধারী হয়ে সারাদিন মানুষের সামনে দিয়ে ঘোরাফেরা করে নিজের কৃতিত্ব ও ধার্মিকভাব জাহির করার অশেষ প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু এরা কখনো ভালো হয় না। এরা শুধু ভালোমানুষ সাজার অপচেষ্টা করে থাকে মাত্র। এই পশুদের থেকে সমাজের সর্বস্তরের সাধু সাবধান।
রোজা কবুল হওয়ার অন্যতম প্রধান একটি শর্ত হলো মিথ্যা না বলা। আর সমস্ত ইবাদতের মূলে রয়েছে হালাল খাবার গ্রহণের শর্ত। অথচ, আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি, সমাজের একটি মুখচেনাগোষ্ঠী অহরহ ঘুষ খাচ্ছে, সুদ খাচ্ছে, ব্যভিচার করছে, মানুষ খুন করছে, পতিতাবৃত্তি করছে, পরের জমিজমা গ্রাস করছে আবার রোজা-নামাজও করছে! এদের ধর্ম কোথায়? এরা তো বনের পশুর চেয়েও অতীব নিকৃষ্ট।
সমাজে যারা মুসলমান-পরিচয়ে রোজা রেখে প্রতিনিয়ত মিথ্যাকথা বলছে তাদের মুসলমান কিংবা মানুষ ভাবি কীভাবে? এই পশুদের থেকে আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।
মন্তব্য (2)