আমরা সবাই চাই, ঘরের আয়নায় যেন ধুলো না পড়ে.... কিন্তু আমাদের চাওয়াতে ধুলোর কি কিছু যায় আসে!
তারা ঠিকই উড়ে এসে বসে আমাদের আয়নায়, বইয়ের তাকে, পড়ার টেবিলে, সাড়া ঘর জুড়ে।
তখন বাধ্য হই! তাদের সরাতে, কোমলে কিঙবা জুলুমে।
নাহিদার এভাবে চলে যাওয়া ঠিক হয়নি এটা সত্য কারন আত্মহত্যা একদিকে মহাপাপ আর অন্যদিকে এটা কোন সমাধান নয়। প্রতিবাদ আর প্রতিরোধ হলো সমাধান। জানি প্রতিবাদ করার ক্ষমতা আমাদের নাই কেননা বখাটেরা অনেক শক্তিশালী হয়। প্রতিরোধ করব কিন্তু একা একা তো প্রতিরোধ করা যায় না। প্রতিবাদ হোক কিংবা প্রতিরোধ কোন কাজেই কাউকে সাথে পাওয়া যায় না। তাহলে কি করা যাবে এখন ? আত্মহত্যা! হ্যা এটাই এখন একমাত্র সমাধান। কতকাল কত শতাব্দী ধরে এভাবে চলবে? এ প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা নাই। তবে সবাই আমরা মনে করি বখাটেদের উৎপাতের সমাধান হওয়া জরুরী। বখাটেদের উৎপাত বন্ধে কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে সেই পরামর্শ দিন, দেখি কারো কোন পরামর্শ গ্রহন করে আমরা আমাদের মা-বোনদেরকে আত্মহত্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারি কিনা।
মন্তব্য (11)