মাথার মধ্যে একরাশ হাতছানির তাড়া নিয়ে
দীর্ঘ বিরতি শেষে
সাতপুরুষের ভিটেতে ফিরছি।
রিক্সা থেকে, পা রাখতে না রাখতেই
অসমাপ্ত গানের মতো হাট্ খোলা দরজাটা
পা জোড়াকে ভেতরে টেনে নিল।
আর পায়ের নীচে পড়ে থাকা শুকনো পাতারা
আমার খবর আশে-পাশের সবাইকে জানিয়ে দিল ;
যার ফলস্বরূপ এক কোনে শুয়ে থাকা অলস অপরিচিত বিড়ালটা
একমুঠো ব্যস্ততম মুহূর্তকে গায়ে মেখে দৌড় দিল।
আর ঘরের দেওয়ালের ঊরুদ্বয়ে দেখলাম
ছোপ ছোপ ঘন-কালো শাওলার নির্লজ্জ আদর।
তবে উঠানের পাশে সজনে গাছটা কিন্তু তেমনই আছে
যার কোলের উপর আজো আছে তুলসীমঞ্চ।
শুধু পাঁচিলের পাশে হঠাত বেড়ে ওঠা সুপারী গাছটাকে
এতক্ষণ চোখে পড়ে নি।
যেটা পুরানো নারকেল গাছের সমান হয়ে
ভাগাভাগি করে নিচ্ছে এই এলাকার রোদ ও আনন্দ।
কিন্তু ঘরের ভিতর প্রবেশ করতেই
একটা গন্ধ ও মায়া খুব অনুভব করলাম।
যেটা নতুন প্রেমে পড়া একটা ছেলের
মেয়ের বাড়ির সামনে ঘুর ঘুর করার মতই।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।