হে বঙ্গবন্ধু সবার প্রিয় মুজিব ভাই
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান তোমার তুলনা নাই
তোমার ও দুটি চোখ যেন চোখ নয়
এতো বাঙালির জানালা যেথা তাকালে
ভেসে আসে বাংলা মায়ের মুখ।
আজি এ জন্মশতবর্ষে তোমায় খুঁজি ইতিহাসের পৃষ্ঠাতে
পাকিস্তান আন্দোলনে বৃটিশ তাড়ানোর অভিযানে
হেথায় হোথায় ঘুরেছ সবখানে
ভোগ নয় ত্যাগের ময়দানে
তুমি ছিলে সবার অগ্রভাগে
কখনো মাঠে কখনো ঘাটে
কখনো পথে কখনো রথে
চলেছ তুমি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হয়ে
শাসকের বিছানো কাঁটার আঘাত সয়ে।
যুক্তফ্রন্ট থেকে ছয় দফা
উনসত্তর থেকে রেসকোর্স ময়দান
যেন শিল্পীর তুলিতে লিখে গেছ আপন মনে
মুগ্ধ বাঙালি বুলেটে পাতে বুক তোমার আহবানে
মাত্র নয় মাসে স্বাধীনতা!
কে দেখেছে এর আগে?
হে বাঙালির রাখাল রাজা
কোন সে মন্ত্র ফুঁকে দিয়েছ সবার কানে কানে?
তুমি ছিলে আদর্শের অগ্নিশিখা
যে শিখায় পথহারা জাতি পেয়েছে পথের দিশা।
হে মুজিব সবার প্রিয় মুজিব ভাই
আজ তুমি নেই কিন্তু তোমার কথা বলে
কত শত অন্যায় চলেছে সবখানে
যে কথা তুমি বলনি সেকথা ওরা বলে
তোমার রেখে যাওয়া আদর্শের গায়ে কালিমা লেপন করে।
তোমার চেতনার কথা বলে
ওরা করে ধর্ষণ করে লুটতরাজ
করে চুরি করে ডাকাতি দিন রাত
সম্রাটেরা করে জুয়ার নামে ক্যাসিনো ব্যবসা
পাপিয়ারা করে অভিজাত মহলে দেহ ব্যবসা।
তুমি যদি জানতে এসব কষ্ট পেতে খুব
তোমার চেতনাকে আড়াল করে
ওদের নষ্ট চেতনা তোমার নামে চাপায় ওরা!
ওরা নষ্ট ওরা ভ্রষ্ট ওরা অধম ব্যবসায়ী
রাজনীতি হয়েছে ওদের ব্যবসার মূলধন।
হে বঙ্গবন্ধু টুঙ্গিপাড়া পাড়ার ছেলে
আদর্শের জন্য সারাটা জীবন কাটালে বসে জেলে
এতটুকু সুখ পাওনি তুমি এতটুকু বিশ্রাম
তোমার নামে দেখ পাপীগুলো করে কত আরাম!
হে বঙ্গবন্ধু প্রিয় শেখ মুজিব
তোমায় ওরা চিনেনি
আজি এ জন্মশতবর্ষে ওরা কি চিনবে
জানবে তোমার ত্যাগের ইতিহাস?
নাকি ভোগের শরাব চুয়ে হয়ে নেশায় চূড়
ওদের নষ্ট চেতনাকে তোমার চেতনা বলে চালাবে হররোজ।