সেই মুরশিদাবাদের খোসবাগ
লুতফুন্নেসা; কুর্নিশ তোমায় বারেবার।
হিন্দু মেয়ে রাজকুনওয়ারের চোখ ঝলসানো রূপে।
পাগল বাঙলার শেষ স্বাধীন নবাব।
আমাদের সিরাজ
বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে রাজকুনওয়ার হলেন লুতফুন্নেসা।
নবাবের দ্বিতীয়া বেগম
শরীর মন জুড়ে শুধু ভালোবাসার জোয়ার।
পলাশী র যুদ্ধ নামে প্রহসনে সিরাজের পরাজয়।
গভীর রাতে লুতফুন্নেসা কে নিয়ে পালাতে গিয়ে,
মীরনের হাতে নবাবের মৃত্যু।
ঢাকার বুড়িগঙগায় মেয়ে জোহরাবেগম কে নিয়ে বন্দিনী বেগম সাহেবা।
মীরনের শাদীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা তার পক্ষেই সম্ভব।
কি দৃঢ চেতনা ও অফুরন্ত মনের জোর,
বেচে থাকার সম্বল প্রিয়তম র স্মৃতি
আবার ফিরে আসা মুর্শিদাবাদ।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়া ৩০০ টাকা পেনশানে,
জীবন ভোর প্রানের মানুষ আর শ্বশুরকুলের কবরস্থান দেখভাল।
সকাল থেকে বিকের সযত্নে কবর মোছা
বাগান পরিস্কার গোলাপের পরিচর্যা।
আর সন্ধ্যাকালে সন্ধ্যাদীপ জালিয়ে
ভালোবাসার পেলব পরশ বুলিয়ে দেওয়া।
দেখে এলাম সেই বেগম সাহেবা লুতফুন্নেসার কবর
প্রিয়তম নবাবের পাশে চিরশান্তি তে নিদ্রামগ্ন,
সাক্ষী হয়ে রইলাম আমরা দুই বোন।
মন্তব্য (15)