এই যুগে সদা সত্য কথা বলা সম্ভব না,
তাই সবার প্রতি আনুরোধ
সদা মিথ্যা কথা বলিও না ।
কখনো কখনো দেশ জাতির প্রশ্নে সত্য কথা
না বলাটাই মিথ্যা বলা হয় ।
মুরগি নেহী চাহিয়ে এবং শেখ আহাম্মদ ;...
ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ইছাছরা গ্রাম। ১৯৭১ সনের জুন/জুলাই মাস। ইছাছরা স্কুল থেকে একটি রাস্তার পূর্ব দিকে ভারতের বডার এর দিকে গেছে। গ্রামের এক স্মভ্রান্ত পরিবারের গৃহবধু পশ্চিম দিগ থেকে রাস্তা দিয়ে পূর্ব দিকে দৌউরে আসছে পিছনে
পাকিস্তানি সেনা ও দেশিয় রাজাকার। মহিলাটি নিজেকে বাচাতে শেষ পযন্ত কাজী বাড়ির
পকুরে ঝাপ দিল । দুই রাজাকার সাথে সাথে পুকুরে ঝাপ দিয়ে সাত্রিয়ে পুকুরের মাঝখানে
গিয়ে মহিলাটিকে চুল ধরে টেনে পুকুর পারে নিয়ে আসলো । তারপর শুরু হল পাক সেনাদের মহিলাটির উপর গনরেপ । আর পুরো ঘটনাটি পুকুরের পশ্চিম পারে দারিয়ে দারিয়ে দেখল গ্রামের মজুমদার বাড়ির সাত বছরের শিশু ইমু । মহিলাটির কষ্ট দেখে সে
কাদতে লাগল । সে তখন বুঝতনা রেপ কি , এখন ইমু তা বুঝে সে জন্যই সে রাজাকার
গৃনা করে। এর কিছু দিন পর ইছা ছরা বরকুন্দাস গ্রামে পাক সেনার একটি টহল দলের
দুই পাক সেনা শেকআহম্মদ বাড়ির দিকে আসতে লাগল। বাড়ির মধ্য মহিলাদের দোরাদরি শুরু হয়ে গেল। বাড়িতে শেখআহাম্মদ ছাড়া কেউ নাই। সমস্ত মহিলারা সব শেখআহাম্মদ এর বাড়িতে একটি ঘরে আশ্রয় নিল। শেখআহাম্মদ দেখল পালানোর কোন উপায় নাই । সে তার খেজুর গাছ কাটার ছেনি টা নিয়ে একটি শাড়ি পরে
মহিলাদের মধ্যে লুকিয়ে থাকল । ঐ দিকে পাক সেনার দুই জন সেই ঘরের সামনে গিয়ে দাড়াল এবং বলতে থাকল মুরগি হায় ? এক জন অন্য জন কে বলল আন্দার গুসকে ডুনো । অন্য জন ঘরে গিয়ে আনেক মহিলা দেখে বলল বহুত মুরগি হায় । শেখআহাম্মদ তখন দেখল আর উপায় নাই । সে তার ছেনি দিয়ে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে পাক সেনাটির মাথার নিচে চালাল। মাথাটি ধর থেকে আলাদা হয়ে পরে গেল।
বাকি পাক সেনাটি এই দৃশ্য দেখে বলতে থাকল মুরগি নেহি চাহিয়ে, মুরগি নেহি চাহিয়ে
মুরগি নেহি চাহিয়ে, মুরগি নেহি চাহিয়ে এবং হাতের অস্র ফেলে দউর দিল । তারপর সবাই বুজল পাল্টা আক্রাম হবে । পাকি লাসটার কি হবে ? এগিয়ে এল নুরুল ইসলাম(ভাউল) , সে বলল তোমরা চলে যাও আমি এই লাসের ব্যবস্থ্যা করছি । লাস টা
সে ইছাছরা খালে ভাসিয়ে দিল। সেখান থেকে লাস টা মুহুরি নদীতে হোয়ে বংঙ্গবব্সাগরে
চলে গেল। তারপর ইতিহাস,সেই গ্রাম পুরিয়ে দেয়া হল শেকাহাম্মদ ও ভাউল চলে গেল মুক্তিযুদ্ধে। শেখাহাম্মদ গত দুই বছর আগে ইন্তেকাল করেছেন ,তার নাম মুক্তিযুদ্ধার তালিকয় নাই, সে কখনো কোন স্মমান পায় নাই । এই দেশে কে কি কেন মুক্তিযুদ্ধে
গিয়ে ছিল ? যারা দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছে তাদের এবং শেকাহাম্মদ কে জানাই
সালাম।
সুত্রঃ ইমাম হোসেন ইমু
মজুমদার বাড়ী।
ঈছাছড়া মজুমদার বাড়ি
ছাগলনাইয়া ,ফেণী।
মন্তব্য (9)