দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকতেই রাতুল সাহেবের চোখ আটকে গেলো। অনেকটা ধরা কন্ঠেই জিজ্ঞেস করলেন
-আপনি এখানে ম্যাডাম?
-অফিসের জন্যই ম্যাডাম আমি।এটা অফিস না, বেশ্যাখানা।তাই আমাকে ম্যাডাম না ডেকে নিহারিকা ডাকুন।
-তা বুঝলাম,কিন্তু আপনি এখানে কি করছেন?
-রাতুল সাহেব, আপনার এখানে আসার উদ্দেশ্য কি আমার সম্পর্কে জানা নাকি অন্যকিছু?
-দেখুন ম্যাডাম,না মানে নিহারিকা- আমি যে কারণে এসেছি তা পরেও হতে পারে।আগে বলুন আপনি এখানে কেন?
নিহারিকা কিছুটা শব্দ করে হাসলো।হাসি থামিয়ে এখন সে একদৃষ্টিতে বিছানার দিকে তাকিয়ে আছে চুপচাপ।এদিকে এসি রুমের ঠান্ডা বাতাসেও রাতুল সাহেব ঘামতে লাগলেন।তার মেরুদণ্ড বেয়ে দরদর করে ঘাম ঝরছে।আর কৌতূহল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার সামনে বসা অসম্ভব সুন্দরী এক মাঝবয়সী নারীর দিকে।যার সাথে রাতুল সাহেব আজ দুপুরেই বসে উনার কোম্পানির নতুন প্রজেক্ট ইস্যু করেছেন।
বেশকিছুক্ষণ পর নিরবতা ভেঙে নিহারিকা বলতে শুরু করলো
-জানেন রাতুল সাহেব, আমি কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আর আমাদের কোম্পানির জুনিয়র ম্যানেজার? এসবের পরও আমাকে এ অবস্থায় দেখে আপনার খুব অবাক লাগছে,তাই না? আসলে এ পতিতালয় টা আমার বাবার! তবে মজার বিষয় কি জানেন রাতুল সাহেব- কাগজে কলমে কোথাও তার প্রমাণ নেই?
Comments (12)