সাত দিন পর নিশান খুলনা আসে এসেই কল দেয় লিজাকে। লিজার মনে একটা খটকা লাগে দু’দিন যেতে না যেতেই দেখা কেন করতে চাইছে ও!কেনো দেখা করার জন্য এত উতলা হয়ে উঠেছে।কোনো মতলব নেই তো।ধ্যাৎ যত সব আবোল তাবোল ভাবছি।মতলব কেন থাকবে।তবে এখন দেখা করাটা হয় তো ঠিক হবে না আরো কিছু দিন যাক তারপর.................................প্রথম বার ফোন বেজে থেমে যায়।দ্বিতীয় বার বেজে থেমে যায়।আবার বাজে ফোন।
লিজাঃ হ্যালো।
নিশানঃহ্যালো ফোন ধরছেন না কেন?
লিজাঃ সরি ফোন থেকে একটু দূরে ছিলাম তাই.....................কেমন আছেন?
নিশানঃ এই তো ভালো। কোথায় আপনি?
লিজা হেসে উঠে বলে কেন?
নিশানঃ না মানে আমি এখন খুলনা।আপনারই শহরে যদি একবার দেখা হতো আপনার সাথে।খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।
লিজাঃ সরি আমি যে একটু কাজে ব্যস্ত দেখা করা যে...............।।
নিশানঃ ওকে ঠিকাছে ম্যাম। আজ না হোক অন্য কোনো দিন হবে দেখা হবে কোনো সমস্যা নেই।
লিজাঃ আছেন তো দুয়েক দিন নাকি?
নিশানঃ জ্বি না আজই ফিরতে হবে।
লিজাঃআবার কবে আসবেন?
নিশানঃবলতে পারছি না।
লিজাঃজানেন আমার খুব খারাপ লাগছে।আপনি কত দূর থেকে এলেন অথচ আমি একটু সময় আপনাকে দিতে পারলাম না।
নিশানঃ কোনো সমস্যা নেই  তবে জানেন কি ম্যাম আমি আজ শুধু আপনার সাথে দেখা করতেই এসেছিলাম অন্য কোনো কাজ ছিল না।
লিজাঃ কি আশ্চার্য শুধু আমারই জন্য এসেছেন কিন্তু এটা তো কথা ছিলো না।আমি তো আপনাকে আগেই বলে রেখেছিলাম আশার অনন্ত দুদিন আগে জানাবেন।
নিশানঃ সরি ম্যাম।ঠিকই হয়েছে, না বলে আশার সাস্থি তো পেলামই।

নিশানের কাছে মিথ্যা বলে বড্ড অপরাধ বোধ কাজ করছে লিজার ভিতর ।কত দূর থেকে এসেছে লোকটা, কত আশা ছিল মন্‌ সব বরবাদ হয়ে গেলো কি ভাবল ও।লিজা নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করে চলেছে আচ্ছা আমার এমন কেন লাগছে।নিশন কে মিথ্যা বলায় কেন বিবেক কাছে এত দগ্ধ হচ্ছ,? কিসের এই দূর্বলতা?রাতে যখন ফেবুতে বসে নিশান আমার জন্য পেক্ষাতেই ছিলো কখন তো এমন লাগেনি?