১) চারটে পয়েন্ট

অতনু। আমার ছেলে সব বিষয়ে চারটে পয়েন্ট বলতে পারে।
শ্যামল। তোর ছেলে তোর মতোই চার অক্ষরের ফুলিশ।

২) পনেরো বছর

সনাতন। আমি পনেরো বছর ধরে পোস্ট ডক্টরেট করছি।
অয়ন। দাদা, তুমি কি বছর বছর ফেল করছো নাকি?

৩) সিট

রতন। দিদি, লেডিস সিট ফাঁকা আছে। আপনি লেডিস সিট-এ গিয়ে বসুন।
তিতলি। এটা জেন্টস সিট নয়, 'জি' ফর জেনারেল।
রতন। বুঝলাম, বহু জেন্টস বসার জায়গা পায়নি, তাই বলছি।
তিতলি। তাদের উবেরে যেতে বলুন।
রতন। আপনি যদি প্রতিবন্ধীর সিট-এ বসতে পারেন, তাহলেই তারা উবেরে যাবে।

৪) বিশেষজ্ঞ

প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞ মানে কি?
উত্তর। বিশেষ রূপে অজ্ঞ।

৫) ডুব

পরেশ। ভাই, কোথায় যাচ্ছো এত তল্পিতল্পা নিয়ে?
জগন্নাথ। দাদা, গঙ্গায় ডুব দিতে!

৬) জেরা

পুলিশ। সেদিন রাতে ঠিক কি হয়েছিল?
আসামি। আমার দাদুর সাথে আপনার দিদিমার বিয়ে হয়েছিল।

৭) পোস্ট অফিস

জীবন। আপনি ঠিকানায় পোস্ট অফিস উল্লেখ করেননি।
সময়। আগে আপনার খোলা পোস্ট অফিস-টা আটকান।

৮) ময়নাতদন্ত

দোকানদার। ইলিশ মাছ গুলো কাল রাতে আমার জালে ধরা পড়েছিল।
খদ্দের। মাছ গুলোকে ময়নাতদন্তে পাঠাওনি?
দোকানদার। পাঠিয়েছিলাম বৈকি।
খদ্দের। কি বললো?
দোকানদার। কেবল বললো মাছ মেরে খাও, তবে প্রকৃতি মেরে খেও না কখনো।
খদ্দের। তুমি কি জবাব দিলে?
দোকানদার। সরষে বাটার লোভে মানুষ পাগল।
খদ্দের। আমি হলে বলতাম, সময়কে মানুষ জালে আটকাতে পারে না, তাই জীবন গলে যায় জালের ফুটো দিয়ে আর পড়ে থাকে কেবল ভস্ম।