অজিত কবি। ভালোই লেখে।
জীবনটা ওর ঐ মাঝিটার মতো:
যে সারাদিন নদীর ধরে নৌকা নিয়ে বসে থাকে
আর দেখে ওপরে ব্রিজের পথ বেয়ে কত লোক এপার ওপর হয়।
রাতে ও প্রহরীর কাজ করে। পেটের টান।
অজিত টিউশানি করে। সন্ধ্যা নামলে বেরোয় অলি গলির ভিতর থেকে।

নতুন একটা টিউশানি পেয়েছে। সুতপা ভালো ছাত্রী। সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে।
সুতপার বাড়িতে অজিত জল ছাড়া কিছু খায় না।
কবির রোজগার কই ! সুতপার মায়ের ইঞ্জিনিয়ার স্বামী।
অজিতের রাগ নেই, আছে এক নদী অভিমান।

মরার আগে সুতপার মায়ের হাতে শেষ জলটুকু পেলেই শান্তি।