ওকে সকলে মানা করেছিল-
মা বাবা ভাই বোন,
বন্ধু বান্ধব পাড়ার লোক,
আরো অনেক আপনজন।

ওর দু চোখ ছিল অন্ধ:
অন্ধকারে নয়, অতি আলোতে।
ও বুঝলো ওর ভুল,
তবুও শিখলো অত্যাচার সহ্য করতে।

যখন ওর ছেলের জীবন নিয়ে টানাপোড়েন,
ও বুঝলো বিষাক্ত সাপের সাথে ঘর করা চলে না।
পুলিশ কোর্ট বাদ গেল না কিছুই।
ছেলেকে মানুষ করার লড়াই বোঝালো মানা না মানার যাতনা।

বিচ্ছেদ হওয়ার আগেই বর মারা গেল।
পেনশনটা হাতে পেল ও।
মায়ের কাছেই থাকে এখন।
মানা না মানার জ্বালা এখনও জীবন্ত...

চোখ বুজে কাজ করতে নেই।
চোখের আড়াল হলে আবার হারায় কাজের খেই !