সোফিয়ার মতো রোবট বাংলাদেশে আসার আগেই বাংলাদেশ সোসাল রোবট তৈরি করেছে। "রিবো" - সেটার প্রচার প্রসার প্রদর্শনীও খুব একটা হয়নি। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি টিম ২০১৬ সালে তৈরি করে রিবো সোসাল রোবট। সে কথা বলতে পারর বাংলায়। সে মানুষের কথার প্রতিক্রিয়া এবং উত্তর দিতে পারে। যেটা সোফিয়াও পারে।
এটা ঠিক সোফিয়ার নির্মাণ খরচের কাছে রিবো'র নির্মাণ খরচ কিছুই না। তারপর প্রায় কাছাকাছি প্রযুক্তি বাংলাদেশ দেড় বছর আগেই তৈরি করেছে। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড আয়োজনটিতে যদি রিবোকে উপস্থাপন করা হতো বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে অনন্য মর্যাদা পেত। বাংলাদেশের নিজস্ব প্রযুক্তিটিকে আমেরিকার সোফিয়ার সাথে তুলনা করা যেত।
দুঃখের বিষয় রিবো সম্পর্কে খুব কম মানুষই জানে। এর পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা নেই। থাকলে সোফিয়ার চেয়েও বেটার রোবট বাংলাদেশ তৈরী করতে পারবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের তৈরী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট 'বন্ধু' তৈরীতে খরচ হয়েছে মাত্র ২৫,০০০ টাকা। সহযোগিতা পেলে সোফিয়ার মতো বা তার চেয়েও উন্নত বাংলাদেশ তৈরি করতে পারবে।
মানুষের রাজত্ব করা পৃথিবীতে এক রাষ্ট্রের মানুষ অন্য রাষ্ট্রে নাগরিকত্ব পাওয়া যতটা কঠিন, রোবটের ক্ষেত্রে ততটা নয়- এটা বেশ মজার।