সুদেব এই সবে সুদেষ্ণার মেডিকেল রিপোর্টগুলো হাতে পেয়েছে। সুদেব নিজেও ডাক্তার। তাই মেডিকেল রিপোর্টের ভাষা সে বোঝে। রিপোর্টগুলো পড়ে সুদেবের পায়ের নিচের মাটি সরে যায়।
সুদেষ্ণা কোনোদিনোও মা হতে পারবে না !
আজ সাত্যকীর কথা খুব মনে পরছে সুদেবের। আর ততোই একটা লজ্জা-ঘেন্না-কষ্ট চেপে ধরে তাকে। সে তো সাত্যকীকেই ভালোবাসতো। এখনও বাসে। সাত্যকী তাকে সন্তান দিতে পারবে না, তার উত্তরাধীকার দিতে পারবে না ; শুধু এই অযুহাতে সে সাত্যকীর সাথে তার সব সম্পর্ক ত্যাগ করে বাবা-মা'র পছন্দ করা পাত্রীকে বিয়ে করেছিল।
তাহলে !
Comments (6)