আমরা সবাই জানি ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর (?) স্বরবর্ণ আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু কেমন করে করেছিলেন এই অ আ ই ঈ তা আর ক্য় জন জানে।সেই আবিষ্কারের গোপন কাহিনিটা আপনাদের শোনাতে চলেছি।
একবার বিদ্যাসাগর মহাশয় প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে নার্সিং হোমে ভর্তি হয়েছিলেন।নার্সিং হোমের বেডে তিনি শুয়ে আছেন।যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন,্মুখে সেই য্ন্ত্রণার প্রকাশ ঘটছেঃ-
       অ---অ-----অ-----

নার্স সেই কাতরানি শুনে ছুটে এলেন এবং বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বুকে হাতে নরম হাতে মালিশ শুরু করলেন।এতে বিদ্যাসাগর মহাশয় বেশ আরাম বোধ করতে লাগলেন এবং মুখে সেই আরামের বহিঃপ্রকাশ ঘটলো কিভাবে শুনুনঃ-
       আ----আ-----আ-----

এবার ইণ্জেকশন নেওয়ার সময় হয়েছে,নার্স সুঁচ নিয়ে বিদ্যাসাগরের হাতে একটু চাপ দিতেই অল্প য্ন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশঃ-
         ই--
যখন নার্স পুরো সুঁচটা ঢোকালেন তখনঃ-
          ঈ-----
সুঁচটা অল্প বার করার সময়ঃ-
           উ--
পুরোটা বার করার সময়ঃ-
           ঊ-----

তারপর তিনি একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।হঠাৎ প্রচন্ড ত্রিষ্ণায় তাঁর ঘুম ভেঙে গেল।দেখলেন একটু দূরে নার্স দাঁড়িয়ে আছেন উল্টো দিকে মুখ করে।তিনি  শুষ্ক গলায় নার্সকে ডাকছেনঃ-
            এ---এ----এ----

নার্স তাঁর দিকে তাকাতেই দূরের টেবিলে রাখা জলের গ্লাস আঙুলের ইশারায় দেখিয়ে বললেনঃ-
            ঐ---ঐ---ঐ----

নার্স জল নিয়ে এলেন এবং তাঁকে খাইয়ে দিলেন।জল খাওয়ার পর বিদ্যাসাগর মহাশয় ঢেকুর তুললেন।কিভাবে শুনুনঃ-
            ও--ও--ও--ঔ।