বিশ্বাস নামক বস্তুটাকে একদা আমি অনেক বিশ্বাস করতাম কিন্তু এখন বিশ্বাস আমার খুব আপন শত্রু। বিশ্বাসের প্রতি যে ভালবাসাটা ছিলো তা এখন ঘৃণায় ভরপুর। প্রিয়জনদের কাছ থেকেই এই বিশ্বাসের প্রতি অনীহা বা শত্রুতা জন্মে যখন সে বিশ্বাসকে পুঁজি করে লুকোচুরি খেলে। তখন কি আর বিশ্বাসকে বিশ্বাস করা যায় ?
তখন বুকের বাম দিকটায় হাত রেখে চিন চিন করে ব্যাথাটাকে অনুভব করে নীরব কষ্টের সাথে আলিঙ্গন করতে হয়। অনেকটা পরাজিত সময় অতিক্রান্ত করছি আর টের পাচ্ছি কে কতটুকু কাছের। আমার ভবিষ্যতের রং ধূসর কাচের মত আমার চোখের সামনে কচুরিপানা স্বরূপ ভাসমান। তবুও নীরব কষ্টের সাথে আলিঙ্গন নিঃশব্দে ক্রমাগত চলছে ... কাউকেই এখন আর বিশ্বাস করতে পারি না। করতে ইচ্ছেও হয় না। বিশ্বাস করতে গেলেই ভয় হয় যদি ঠকে যাই ?
আমার ভবিষ্যত
আমার কাছে ধূসর।
আমার অতীত
আমার কাছে অন্ধকার।
আমার বর্তমান
আমি যা আছি তাই।
বাঁচতে চাই বলে
স্বপ্ন দেখি;
স্বপ্নও মাঝে মাঝে
ধূসর হয়;
আমার চাওয়ার মত
চাওয়া ?
সে তো মুক্ত পাখি
খাঁচায় ঢুকলেই ভস্ম।
শুরু হয় লড়াই
অপেক্ষার না মৃত্যুর না মুক্তির ?
আমি কখনো অপেক্ষা করি না
ধৈর্য ধরি ... ♥
অপেক্ষা করলে নাও পেতে পারি
কিন্তু ধৈর্য ধরলে ঠিকই পাবো
আমি বিশ্বাস করি।
মন্তব্য (15)