শিশিরের শান্ত নিশির হলো অবসান
এইক্ষণে বৃষ্টি হলে
আমায় দেখো;
দখিনো-পচ্চিম মৌসুমী হাওয়ায়
সাগরের ঢেউভেজা নোনা বালিকায়।

একহাঁটু সময়যন্ত্রণা অধরে ধরি
অহরহ কাতরাই মুমূর্ষু বাতায়ন ঘিরি
পাতার শিরায়
বিছানায় আর
ঠোঁটের কার্নিশে ঝুলে থাকা ভাল লাগায়।

পীতাম্বর শব্দের ডাহুক
আমার তামস বেলা
চুপিসারে আসে - হৃদিশাখে গান গেয়ে যায়।
অনুভবের ভেজানো কপাট ছুঁয়ে
নিতান্ত সুন্দর যন্ত্রণার সুর ভাঙে গড়ে।

দাঁত-কপাটি জোছনায় উড়ে উড়ে চলে
আমার কাপাস বেলা
পাথর সময় দাঁড়িয়ে ঠাঁয়
মনোচঞ্চল রাগিণীমালা বেজে উঠে তাই
স্থির প্রত্যয়ী যেন বেথুন বীথিকা সম!