বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গমের ২টি, আলুর ৪টি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে। একই সঙ্গে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবন করেছে পাটের নতুন একটি জাত। নতুন এ জাতগুলোর সব ধরনের ট্রায়াল শেষ। চলতি সপ্তাহে জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় এগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুমোদনের পর কৃষকরা নতুন জাতগুলো মাঠে আবাদের সুযোগ পাবেন। রোগ প্রতিরোধী ও বেশি ফলনের ক্ষমতা এবং যে কোনো ধরনের তাপ সহ্য করার ক্ষমতা সম্পন্ন জাত রয়েছে ছাড়করণের তালিকায়। দেশের বিভিন্ন এলাকার জমি, কৃষি পরিবেশের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হয়। দেশে গমের গড় ফলন ৩ টন। গবেষণার মাধ্যমে এ ফলন ৫ টনে নিয়ে আসা হচ্ছে। নতুন জাতের কারণে ফলন এবং উৎপাদন উভয় বাড়ে।নতুন উদ্ভাবিত গমের প্রস্তাবিত নাম দেওয়া হয়েছে বারি গম ৩১। জাতটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। জাতটি পাতার দাগ রোগ সহনশীল, মরিচা রোগ প্রতিরোধী, তাপ সহিষ্ণু এবং দানা সাদা ও আকারে মাঝারি। জীবনকাল ১০৫ থেকে ১০৯ দিন। গমের অপর জাতটির নাম প্রস্তাব করা হয়েছে বারি গম ৩২। জাতটি পাতার দাগ রোগ সহনশীল, মরিচা রোগ প্রতিরোধী, তাপ সহিষ্ণু এবং দানা সাদা ও আকারে মাঝারি। উপযুক্ত পরিবেশে হেক্টর প্রতি ফলন ৪.৬ থেকে ৫ মে.টন। আমন ধান কাটার পর দেরিতে বপনের জন্য জাতটি উপযোগী। এছাড়া আলুর আরো চারটি নতুন জাত বাজারে ছাড়করণের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। নতুন জাত চারটির প্রস্তাবিত নাম বারি আলু ৭৪, বারি আলু ৭৫, বারি আলু ৭৬, বারি আলু ৭৭। নতুন এ জাতগুলোর মাধ্যমে কৃষি খাতে নতুন মাত্রা যোগ হবে। উৎপাদন বেশী মাত্রায় হবে, কৃষক যেমন লাভবান হবে তেমনি আমরা আমাদের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারব।