জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাহলেই সব বাধা বিপত্তি কাটিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো অসম্ভব নয়। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই দেশের অগ্রগতি ব্যাহত করার জন্য গুপ্তহত্যা, জঙ্গী হামলা করা হচ্ছে। কোন অপশক্তির কাছে মাথানত করা করা যাবে না। একটি চক্র জ্বালাও পোড়াও, পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি। এখন মসজিদের ইমাম, পুরোহিত ও উন্নয়নে অংশীদারী বিদেশীদেরও হত্যা করছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকার দেশের অগ্রযাত্রাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। এ অবস্থায় কোন অপশক্তির কাছে মাথানত হবে না। স্বাধীনতারপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ওই সকল অপশক্তিকে প্রতিরোধ করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সকল শ্রেণীপেশার মানুষকে কাজ করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠনের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে জনগণের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। একটি অপশক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করতে ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করছে, ঈদের জামায়াতে যারা হামলা চালায়, তারা মুসলমান হতে পারে না। এরা মুসলিম নামধারী কুলাঙ্গার। সম্মিলিতভাবেই এদেরকে রুখতে হবে।