প্রথম বিশ্বে দেখেছি বর্ণ বৈষম্য, জাতি বৈষম্য, গোত্র বৈষম্য, ধর্ম বৈষম্য ইত্যাদি। এসব বৈষম্য প্রতিরোধ করার জন্য সেইসব দেশে এন্টি রেইসিজম আইন বা সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী অনেক আইনও প্রচলিত আছে এবং তার কঠোর কার্যকারিতাও রয়েছে। আমাদের দেশে একটি বিশেষ বৈষম্যই প্রকট আকার ধারন করেছে আর সেটা হল ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িক বৈষম্য। এই দেশের স্বাধীনটা যুদ্ধ শুধু মুসলমানরাই করেনি, মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছিলো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও। এদেশ তাদেরও, সর্বক্ষেত্রে তাদেরও রয়েছে সমঅধিকার। বাংলাদেশেও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করা উচিত যাতে সকল ধর্মাবলম্বী তথা সর্বস্তরের মানুষের নাগরিক অধিকার রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে সুনিশ্চিত হয়। জন্মসূত্রে এবং সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। বাংলাদেশ কোন সাম্প্রদায়িকতা এবং কোন বিশেষ সাম্প্রদায়িক শক্তির অভয়ারণ্য হতে পারে না।