একটা শুকনো দুপুরে তাপ-খড় রোদ্র দহনে,বেলার নির্মল অন্তের খোজে, শহরের ছোট্ট এক খুপড়ির ছায়া দিয়ে পথ মাড়িয়ে,সোজা কলেজ গেইট স্পর্শ।একটিই কৃষ্ণচূড়া,ছায়াহীন দাড়িয়ে থাকে শহীদ মিনার জুড়ে।
হালকা উদ্যেগের আলগা ঘাসগুলো উপড়ে গেছে।বালিময় মাঠ ধু!ধু!!ও করেনা।এমন তাপ-খড় রৌদ্রজ্জ্বল দুপুরে,মুষ্ঠি ছায়হীন মাঠটাও কি স্যাঁতস্যাঁতে।কদমের আলাপনে পানিও ওঠে বালির চিকচিক জুড়ে।
আচ্ছা বালির কি কান্না আছে?
না হলে এমন এমন কড়া রৌদ্রে মাঠ কেন স্যাঁতস্যাঁতে?
নাহ! গতকাল বৃষ্টি হয়েছিল তাই।
আরেকটু বৃষ্টি হবে?
কেনো??
না,কিছুনা..
কিছুনা মানে..
কিছুনা মানে কিছুনা..
বর্ষার প্রথম কদমফুল দাওনি কিন্ত??
শহরটাই যে মরে গেল,বর্ষাও মন ভাঙ্গাতে পারেনি কদমের।
নীলাম্বরী!তোমাকে বর্ষা ডাকছে।
তোমাকেও!
ঘন আকাশের পথ জুড়ে ভারী মেঘের দল।
হেমন্তের ঘুড়ির উপরেই গলে পড়ল।ওপাড়ার পূর্বগলিতে বজ্রপাত হয়েছে।ট্রেনের হুইসেল জুড়ে মেয়েটিও চলে যাচ্ছে মৃত নগরীকে ফেলে।
শীতের শেষ হবেনা।কদম গাছটিও মরেগেছে।বসন্ত আসবেনা।আরো কিছুক্ষণ বজ্রপাত হোক।সবকটি শ্যামলতা ঝলসে যাক।বিধাতার ক্রোধে যাক........
মন্তব্য (4)